ঢাকা,  শনিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ ভ্রমণ ]

‘অফ সিজনে’ সেন্টমার্টিন যেতে চাইলে তথ্যগুলো জেনে নিন

ফিচার ডেস্ক
প্রকাশিত: ১১:৪১, ৪ মার্চ ২০১৯
‘অফ সিজনে’ সেন্টমার্টিন যেতে চাইলে তথ্যগুলো জেনে নিন
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ভ্রমণের জন্য বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্থান সেন্টমার্টিন। পর্যটকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে সবসময়ই থাকে 'বঙ্গোপসাগরের টিপ' বলে খ্যাত এ দ্বীপ। তাই সেন্টমার্টিন নিয়ে অনেকে জানতে চান। জায়গাটি নিয়ে প্রতিনিয়তই অসংখ্য প্রশ্ন করে থাকেন ভ্রমণপিপাসুরা। বাছাই করা প্রশ্নগুলোর উত্তর নিয়ে এই আয়োজনের প্রথম পর্ব আজ-

প্রশ্ন: ১

* সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচল শুরু ও বন্ধ হয় কখন?
* ঈদের সময় কি জাহাজ চলাচল বন্ধ থাকবে?

Advertisement

ডেইলি বাংলাদেশ: গতবছর নভেম্বর থেকে টেকনাফ টু সেন্টমার্টিনে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। প্রতিবছর নভেম্বর মাসে শুরু হয় এবং মার্চের শেষে কিংবা এপ্রিলের শুরুতে জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়। এটি মূলত নির্ভর আবহাওয়ার ওপর ভিত্তি করে। ঈদের সময় যেতে চাইলে ট্রলারে যেতে হবে। 

প্রশ্ন: ২

* জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেলে কি সেন্টমার্টিন যাওয়া যায় না?
* সেন্টমার্টিন কি শুধু শীতকালে যাওয়া যায়?

ডেইলি বাংলাদেশ: সেন্টমার্টিনে সারাবছরই যাওয়া যায়। তবে বৈরি আবহাওয়ার সময় না যাওয়াই ভালো। জাহাজ ছাড়া স্পিড বোট, ট্রলারে বা মালবাহী বোটে সারা বছর যাওয়া যায়।

প্রশ্ন: ৩

ক. ট্রলার, স্পিড বোট বা মালবাহী বোটে কিভাবে যাব, কোথায় থেকে ছাড়ে? কতক্ষণ সময় লাগে? ভাড়া কত?
ঘ. ট্রলারে যাওয়া কি খুব বিপজ্জনক?

ডেইলি বাংলাদেশ: টেকনাফ নামারবাজার ব্রিজ বা জেটি ঘাট থেকে ট্রলার, স্পিডবোট ও মালবাহী ছাড়ে। সিজনের সময় জাহাজ ঘাটের পাশ থেকেও ট্রলার ছাড়ে। সাধারণত ট্রলার ও মালবাহী বোট ১৫০-৩৫০ টাকা নেয়। এটা সিজন ও যাত্রীভেদে কম বেশি হয়ে থাকে। সময় লাগে ২ থেকে ৩ ঘন্টা। ট্রলারে যাওয়া খুব বেশি ঝুঁকি না। তবে যাদের হার্ট দুর্বল বা পানি রোগ আছে তাদের না যাওয়াই ভালো।

প্রশ্ন: ৪

* বর্ষাতে সেন্টমার্টিনে যাওয়া কতটুকু নিরাপদ?
* অফ সিজনে সেন্টমার্টিনে গেলে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা কী? হোটেল ও খাবার দোকান কি পর্যাপ্ত পরিমাণে খোলা থাকে?

ডেইলি বাংলাদেশ: বর্ষায় আবহাওয়া ও সমুদ্র উত্তাল থাকে বলে ট্রলারে বা বোটে যাওয়া নিরাপদ না। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া না থাকলে যাওয়া যায়। তবে সত্যিকার অর্থে তখন সেন্টমার্টিন ভ্রমণ খুব আরাম ও আনন্দের হয়। লোকজন কম থাকে, দ্বীপ নির্জন থাকে। হোটেল, কটেজ ও রেষ্টুরেন্ট প্রায়ই বন্ধ হয়ে যায়, মাঝে মাঝে ২-১ টা চালু থাকে। সেক্ষেত্রে স্থানীয় লোকের সাহায্য নেয়া যায়।

প্রশ্ন: ৫

* ছেঁড়া দ্বীপ কি সেন্টমার্টিনের মত আরেকটি দ্বীপ? ছেঁড়া দ্বীপ কিভাবে যাব?
* ছেঁড়া দ্বীপ কি হেঁটে বা সাইকেলে যাওয়া যায়? সাইকেল ভাড়া কত?

ডেইলি বাংলাদেশ: ছেঁড়া দ্বীপ সেন্টমার্টিনের একটি অংশ। জোয়ারের সময় সেন্টমার্টিন মুল দ্বীপ থেকে কিছু অংশ আলাদা হয়ে যায় বলে এটার নাম ছেঁড়া দ্বীপ। দ্বীপটিতে স্পিড বোট, লাইফ বোট বা ড্যানিশ, কাঠের ছোট বোট (ইঞ্জিনচালিত) সাইকেল কিংবা হেঁটে ও যাওয়া যায়। ভাড়া (জনপ্রতি) কাঠের ছোট বোট (ইঞ্জিনচালিত) – ১৫০ টাকা, লাইফ বোট বা ড্যানিশ – ২০০ টাকা, স্পিডবোট – ৩০০ টাকা এবং সাইকেল ভাড়া – প্রতিঘণ্টা ৪০/৫০ টাকা।

ডেইলি বাংলাদেশ/এনকে

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!