ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩

[ ফিচার ]
নুডলস দিবস আজ

জেনে নিন নুডলসের আদ্যোপান্ত

মোহাম্মদ মুকুল
প্রকাশিত: ১২:৪৪, ৬ অক্টোবর ২০২৬
জেনে নিন নুডলসের আদ্যোপান্ত
২০২১ সালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, যারা প্রায়শই ইনস্ট্যান্ট নুডলস খান তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি ১.১ গুণ বেশি। এই গবেষণায় চিনের পিকিং ইউনিভার্সিটির স্কুল অফ পাবলিক হেলথের পুষ্টিবিদ ডঃ আইলিন এল. ইউন অংশগ্রহণ করেছিলেন। ইউন বলেন, ‘‘নুডলস হার্টের স্বাস্থ্যে

* যেসব দেশের প্রধান খাবার নুডলস, তাদের রয়েছে নুডলস বানানোর নিজস্ব ধরন। 
* পৃথিবীতে প্রায় ১ হাজার ২০০ ধরনের নুডলস বানানো হয়। এর মধ্যে প্রচলিত সাড়ে ৩০০র বেশি ধরনের।
* দেশ থেকে বছরে প্রায় ১৫ হাজার টনের বেশি নুডলস বিদেশে যায়।
* দেশে নুডলস-এর বাজার এক হাজার ২০০ কোটি টাকার কাছাকাছি
* ৬০ শতাংশের বেশি নুডলস বিক্রি হয় দেশের মফস্বল অঞ্চলগুলোতে

দেড় দশকে বাংলাদেশে নুডলসের বাজার প্রায় ১২ গুণ বেড়েছে। এখন এর আকার এক হাজার ২০০ কোটি টাকার কাছাকাছি,

ব্যস্ত জীবনে অল্প সময়ে খাবার তৈরি করতে অনেকেই নুডলস বেছে নেন। বাজারে এখন বিভিন্ন ধরনের তাৎক্ষণিক রান্নার নুডলস পাওয়া যায়। সহজে রান্না করা যায় বলে নুডলস বেশ জনপ্রিয়।  আমাদের দেশের খাদ্য সংস্কৃতিতে মাত্র চার দশক আগে শুরু হওয়া নুডলসের জয়যাত্রা ড্রাগন আর কোকোলা নুডলস থেকে শুরু হয়ে এখন কোরিয়ান রামেনের পপ কালচার পর্যন্ত পৌঁছে গেছে।

বাংলাদেশে নুডলসের জনপ্রিয়তা কম নয়। নানা স্বাদের অভিজ্ঞতা নিতে তরুণদের মধ্যে নুডলসের চাহিদা বাড়ছে। ঢাকার বড় বড় রেস্তোরাঁর মেন্যুতে নানা পদের নুডলসের রেসিপি দেখা যায়। বিশেষ করে সহজে রান্না করা যায় এমন নুডলস এখন ঘরে ঘরে পরিচিত। বাজারেও পাওয়া যাচ্ছে নানা ধরনের তাৎক্ষণিক রান্নার নুডলস। গত কয়েক দশকে দেশের ভোগ্যপণ্যের বাজারে নুডলসের চাহিদাও বেড়েছে।

World Noodles Day 2025

  • দেশের ভোগ্যপণ্যের বাজারেও গত কয়েক দশকে নুডলসের চাহিদা বেড়েছে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা যায়, কোভিড-১৯ মহামারির মতো সময়ে ঘরে বসে খাবার গ্রহণের হার বাড়ার কারণে নুডলসের চাহিদা ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছে।

শিশু থেকে বড়—বিভিন্ন বয়সী মানুষের পছন্দের খাবারের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে এটি। ২০২৫ সালে বাংলাদেশি ইনস্ট্যান্ট নুডলস বাজারের মূল্য প্রায় ১০ কোটি মার্কিন ডলার (বা ১২০০ কোটি টাকা)। এই হারে ২০৩০ সালের মধ্যে বাজারের আকার হবে প্রায় ১৫ কোটি মার্কিন ডলার (বা ১৮০০ কোটি টাকা)। প্রতিবছর এই বাজার ৭ দশমিক ৯৮ শতাংশ হারে বাড়ছে। 

আজ ৬ অক্টোবর নুডলস দিবস। প্রতি বছর এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রে নুডলস দিবস পালন করা হয়। আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিভিন্ন দেশ প্রতিবছর ৬ অক্টোবর তাদের মতো করে জাতীয় নুডলস দিবস পালন করে। সহজে রান্না করা যায় এবং স্বাদেও বৈচিত্র্য থাকায় বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এই খাবারটি এখন অনেকের দৈনন্দিন খাবারের অংশ।

১৯৯৮ সালের দিকে দেশে একদম স্বল্প পরিসরে নুডলসের বাজারজাত শুরু হয়েছিল। এরপর টিভি বিজ্ঞাপন ও নানা প্রচারণার মাধ্যমে পণ্যটি রোগীর পথ্য ও বাচ্চাদের খাবার হিসেবে সাধারণ মানুষের ঘরে প্রবেশ করে। এরপর সেমাইয়ের পাশাপাশি ঈদে নুডলস খাওয়ার প্রচলন হয়। তবে এ পণ্যের সবচেয়ে বড় প্রসার হয়েছে কোভিড-১৯ মহামারির সময়। তখন ঘরে বসে খাবার গ্রহণের হার বাড়ার কারণে নুডলসের চাহিদা ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়েছিল।

ডিনারে নুডলস খেলে কি মোটা হয়? জেনে নিন কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা | লেটেস্ট  লাইফস্টাইলের খবর - News18 Bengali

  • গত দেড় দশকে বাংলাদেশে নুডলসের বাজার প্রায় ১২ গুণ বেড়েছে। এখন এর আকার এক হাজার ২০০ কোটি টাকার কাছাকাছি, যা ২০১০ সালের দিকে ১০০ কোটি টাকা ছুঁয়েছিল। প্রতি বছর এ পণ্যের বাজার ১০ শতাংশের বেশি হারে বাড়ছে।

বাজারে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের অংশ ৭৫ শতাংশ
নুডলস উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাজারে ৪০টির বেশি ব্র্যান্ড আছে, যারা ইনস্ট্যান্ট, কাপ ও স্টিক নুডলস এবং রামেনের মতো পণ্য তৈরি করছে। এসবের প্রায় ১২০ রকমের পণ্য রয়েছে। এর মধ্যে ইনস্ট্যান্ট নুডলসের বাজার অংশীদারত্ব ৭৫ শতাংশের ওপর। পাশাপাশি স্টিক ও কাপ নুডলসও বেশ প্রসারিত হচ্ছে।

৬০ শতাংশের বেশি নুডলস বিক্রি হয় দেশের মফস্বল অঞ্চলগুলোতে। অর্থাৎ, শহর ও গ্রামে সমানতালে পণ্যটির চাহিদা বাড়ছে। বহুজাতিক কোম্পানি ও দেশীয় উৎপাদনকারীরা পণ্য বিপণন করছে। তবে বর্তমানে বাজারে নেতৃত্বে রয়েছে দেশি কোম্পানিগুলো।

নুডলস রপ্তানি করছে ৩০টির বেশি কোম্পানি
বাংলাদেশের নুডলস এখন বিদেশেও রপ্তানি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশসহ মালয়েশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পণ্যটি যাচ্ছে। দেশি ৩০টির বেশি কোম্পানি কম-বেশি নুডলস রপ্তানি করছে। দেশ থেকে বছরে প্রায় ১৫ হাজার টনের বেশি নুডলস বিদেশে যায়।

হরেক দেশে হরেকরকমের নুডুলস

** চীনের অন্যতম জনপ্রিয় নুডলস হচ্ছে লামিয়ান। পাতলা আর চিকন নুডলস একমাত্র দক্ষ কারিগরেরাই বানাতে পারেন। সেদেশের লোমেইন আর চাওমিন তো রোজকার খাবার।

** জাপানের উদন ও রামেন বানানো হয় ময়দা আর লবণ দিয়ে। তবে উদন একটু ভারী করে কাটা হয়, আর রামেন চিকন করে।

** জাপানের আরেকটি জনপ্রিয় নুডলস সোবা, যা বানানো হয় বাজরা থেকে। 

** ভিয়েতনামের জনপ্রিয় ভাইন ফো হচ্ছে চাল দিয়ে তৈরি নুডলস।

** আলুর স্টার্চ দিয়ে বানানো কোরিয়ার গ্লাস নুডলস, দেখতে হয় একদম স্বচ্ছ। 

** থাইল্যান্ডের পাড থাই আর পাড-সি-ইউ নুডলস তৈরি হয় চালের আটা দিয়ে। একটু মিষ্টি স্বাদের সসে ভেজে বানানো হয় দুটি। 

** তিব্বতের থুকপা, সিঙ্গাপুরের লাকসা, বার্মিজ খাওসে নুডুলস জনপ্রিয় সেসব দেশে। 

** বাংলাদেশে এখন নুডলসের রাজ্যের রাজা বলা যায় কোরিয়ান রামেন বা রামিউনকে।

কবে থেকে নুডলস দিবস পালন শুরু?

প্রতি বছর ৬ অক্টোবর নুডলস দিবস পালন করা হলেও এই দিনটি কবে থেকে শুরু হয়েছে, তার নির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায় না। কারা প্রথম এই দিবস পালনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন, সে বিষয়েও স্পষ্ট কোনো তথ্য নেই।

তবে নুডলসের ইতিহাস বেশ পুরোনো। ধারণা করা হয়, অন্তত দুই হাজার বছর আগে থেকেই নুডলসের প্রচলন ছিল। এমনকি এর ইতিহাস আরও পুরোনোও হতে পারে।

চীনে মিলেছে নুডলসের প্রাচীন উল্লেখ

নুডলসের উদ্ভব ঘটে প্রায় চার হাজার বছর আগে, চীন দেশে। অর্থাৎ খ্রিষ্টের জন্মেরও দুই হাজার বছর আগে থেকেই নুডলস খাবার হিসেবে পরিচিত ও সমাদৃত। 

নুডলসের ইতিহাসের সবচেয়ে পুরোনো লিখিত উল্লেখ পাওয়া যায় চীনের ইস্টার্ন হান সাম্রাজ্যের সময়কার একটি গ্রন্থে। ওই সময়কাল ছিল ২৫ থেকে ২২০ খ্রিস্টাব্দ। 

 তবে শুরুর দিকে নুডলস বানানোর প্রক্রিয়া ছিল ভিন্ন। ছোট ছোট টুকরা করে ফুটন্ত পানিতে ছেড়ে বানানো হতো নুডলস। আর এটি পরিবেশন করা হতো রাজকীয় খাবার হিসেবে।

তখন খামির ছাড়া মণ্ড তৈরি করে বিভিন্ন উপায়ে নুডলস রান্না করা হতো। সময়ের সঙ্গে নুডলস তৈরির পদ্ধতি, উপকরণ ও রান্নার ধরন বদলেছে। বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে তৈরি হয়েছে নানা স্বাদের নুডলস।

2PM Noodles vs Current Noodles: A Flavor Showdown

নুডলস সম্পর্কে জেনে নিন কিছু মজার তথ্য 

* খ্রিষ্টের জন্মের ২ হাজার বছর আগে থেকে চীনে নুডলস খাওয়া হয়। তবে তখন এখনকার মতো এমন নুডলস ছিল না। আটার দলা ছোট ছোট করে ছিঁড়ে রোদে শুকিয়ে পানিতে ফুটিয়ে খাওয়া হতো নুডলস।
 
* ১৯৫৮ সালে জাপানে ‘ইনস্ট্যান্ট নুডলস’ হিসেবে রামেনের প্রচলন শুরু হয় সর্বপ্রথম। ১৯৫৮ সালে জাপানের মোমোফুকু অন্দো প্রথম চিকেন ইনস্ট্যান্ট নুডুলস তৈরি করেন। যা খুব সহজে রান্না করা যায়। 

* জাপানের ওসাকায় ইনস্ট্যান্ট কাপ নুডলসের একটি আস্ত জাদুঘরই রয়েছে। এটিকে বলা হয় ‘দ্য কাপ নুডুলস মিউজিয়াম’। এখানে ৫,৪৬০টি ফ্লেভারের নুডলস পাওয়া যায়।

* মোমোফুকু অন্দো মহাকাশে খাওয়ার জন্য ২০০৫ সালে এক ধরনের ইনস্ট্যান্ট নুডলস তৈরি করেন তার মৃত্যুর দুই বছর পূর্বে। এটার নাম ছিলো ‘স্পেইস রাম’।

* ম্যাগি ব্র্যান্ডের উৎপত্তি সুইজারল্যান্ডে। ১৮৮৪ সালে সুইস উদ্যোক্তা জুলিয়াস ম্যাগির হাত ধরে বিশ্ববিখ্যাত ব্র্যান্ডটি প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যস্ত, কর্মজীবী ​​পরিবারের জন্য সুস্বাদু এবং পুষ্টিকর খাবার দ্রুত তৈরি করার ইচ্ছা থেকেই শুরু হয় ম্যাগির পথচলা। 

* ফেডারেল আইন অনুসারে, নুডলসে অবশ্যই ৫.৫ শতাংশ ডিমের সলিড অংশ থাকতে হবে। 

* পৃথিবীর সবচেয়ে সস্তা খাবারগুলোর মধ্যে অন্যতম ধরা হয় নুডলসকে। তবে প্রথম দিকে এটি বিলাসবহুল খাবার হিসেবে সুপার শপে বিক্রি হতো।

Salmon noodle salad

নুডলসের বৈচিত্র্যময় রূপ : এশিয়ার রামেন থেকে ইতালির পাস্তা

বিশ্বের একেক অঞ্চলে নুডলস একেক স্বাদে ও রূপে আত্মপ্রকাশ করেছে। মূলত উপকরণ ও তৈরির কৌশলের ওপর ভিত্তি করে একে কয়েকটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়।

গম ও ময়দার নুডলস: চীনের ঐতিহ্যবাহী হ্যান্ড-পুলড নুডলস (লা মিয়ান) কিংবা জাপানের বিখ্যাত ‘রামেন’ তৈরি হয় গম থেকে। এছাড়া ইতালির বিশ্বখ্যাত স্প্যাগেটি ও পাস্তাও গমের ময়দারই ভিন্ন রূপ।

রাইস নুডলস: চালের গুঁড়ো দিয়ে তৈরি এই নুডলস মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রাণ। থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় ‘প্যাড থাই’ কিংবা ভিয়েতনামের ঐতিহ্যবাহী ‘ফো’ তৈরিতে এই সাদা ও নরম নুডলস ব্যবহার করা হয়। এটি গ্লুটেন-মুক্ত হওয়ায় স্বাস্থ্যসচেতনদের কাছেও বেশ জনপ্রিয়।

বাকহুইট বা সোবা নুডলস: জাপানের ঐতিহ্যবাহী ‘সোবা নুডলস’ তৈরি হয় বাকহুইট বা কুটুর ময়দা থেকে। এটি কিছুটা কালচে রঙের হয় এবং ঠান্ডা বা গরম দুইভাবেই পরিবেশন করা হয়।

গ্লাস নুডলস (সেলোফেন): মুগ ডাল, আলু বা মিষ্টি আলুর স্টার্চ থেকে তৈরি এই নুডলস রান্নার পর একদম স্বচ্ছ কাচের মতো দেখায়। কোরিয়ান খাবার ‘জাপচে’ তৈরিতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

📢 সতর্ক থাকুন! ইনস্ট্যান্ট নুডলস কি আসলেই স্বাস্থ্যকর? 🤔🍜 ইনস্ট্যান্ট  নুডলসের প্যাকেট খুলে মাত্র কয়েক মিনিটে সুস্বাদু খাবার তৈরি করা ...

বিতর্ক স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে
নুডলস নিয়ে সবচেয়ে বড় বিতর্ক এর স্বাস্থ্যগুণ নিয়ে। ইনস্ট্যান্ট নুডলস আমাদের জীবনকে সহজ করলেও এর কিছু নেতিবাচক দিক রয়েছে।

  • বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন নুডলস খেলে মেটাবলিক সিনড্রোমের ঝুঁকি বাড়ে৷ মেটাবলিক সিনড্রোম হল এমন একটি অবস্থা যা হৃদরোগ, স্ট্রোক এবং ডায়াবেটিসের মতো দীর্ঘস্থায়ী রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ২০১৯ সালে 'আমেরিকান কলেজ অফ কার্ডিয়োলজি জার্নালে' প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, যারা প্রায়শই ইনস্ট্যান্ট নুডলস খান তাদের বিপাকীয় সিনড্রোম হওয়ার ঝুঁকি ২.৩ গুণ বেশি 
  • ২০২১ সালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, যারা প্রায়শই ইনস্ট্যান্ট নুডলস খান তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি ১.১ গুণ বেশি। এই গবেষণায় চিনের পিকিং ইউনিভার্সিটির স্কুল অফ পাবলিক হেলথের পুষ্টিবিদ ডঃ আইলিন এল. ইউন অংশগ্রহণ করেছিলেন। ইউন বলেন, ‘‘নুডলস হার্টের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়।’’

পরিশোধিত ময়দার ব্যবহার: বেশিরভাগ সাধারণ নুডলস পরিশোধিত ময়দা দিয়ে তৈরি। যা রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়িয়ে দেয় এবং এতে ফাইবার বা আঁশের পরিমাণ থাকে নগণ্য।

সোডিয়ামের আধিক্য: ইনস্ট্যান্ট নুডলসের মসলার প্যাকেটে প্রচুর পরিমাণে সোডিয়াম বা লবণ থাকে। অতিরিক্ত সোডিয়াম উচ্চ রক্তচাপ এবং হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

এমএসজি এবং প্রিজারভেটিভস: স্বাদ বাড়াতে মোনোসোডিয়াম গ্লুটামেট (টেস্টিং সল্ট) এবং দীর্ঘদিন সংরক্ষণের জন্য প্রিজারভেটিভস ব্যবহার করা হয়। যা নিয়মিত গ্রহণে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসএমএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!