ভোলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন
বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে ভোলায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালন করেছে জেলা বিএনপি। শনিবার সকালে জেলা বিএনপির উদ্যোগে দলীয় কার্যালয়ের সামনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়।
র্যালিটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। এতে জেলা বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির নেতারাও অংশ নেন। র্যালিতে নেতৃত্ব দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা পরিষদের প্রশাসক গোলাম নবী আলমগীর।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব রাইসুল আলম, যুগ্ম-আহ্বায়ক হারুন উর রশীদ ট্রুম্যান, হুমায়ুন কবীর সোপান, ফজলুর রহমান বাচ্চু মোল্লা, এনামুল হক, আব্দুর রব আকন, বশীর হাওলাদার, জেলা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইয়ারুল আলম লিটন এবং ভোলা সদর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আসিফ আলতাফসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এর আগে সকাল ৬টায় জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করে দিবসের কর্মসূচির উদ্বোধন করেন গোলাম নবী আলমগীর।
এ সময় তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এ দিন সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লব ও সংহতির মধ্য দিয়ে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় ঐক্যের নতুন অধ্যায় সূচিত হয়েছিল। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার দেশপ্রেম, নেতৃত্ব ও সাহসিকতা থেকে নতুন প্রজন্মের শিক্ষা নেওয়া উচিত।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই। সব ভেদাভেদ ভুলে দেশ ও মানুষের কল্যাণে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। গণতন্ত্র, মানুষের অধিকার ও জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।
এদিকে জেলা বিএনপির পাশাপাশি জেলা প্রশাসনসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগেও ভোলার বিভিন্ন স্থানে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে।