ঢাকা,  শনিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুনের পর রাজধানীতে ২০০ চেকপোস্ট

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:১৩, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুনের পর রাজধানীতে ২০০ চেকপোস্ট
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ককটেল বিস্ফোরণ এবং কাফরুল থানার সামনে ফাঁকা বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে ঢাকার বিভিন্ন প্রবেশপথ এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোয় চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজনদের তল্লাশি করেছে পুলিশ। পথচারীদের জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াও সঙ্গে থাকা ব্যাগ এবং মোবাইল ফোন তল্লাশি করা হয়।

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের মিডিয়া বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার নিয়াজ মেহেদী বলেন, নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তার জন্য ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ২০০টিরও বেশি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

Advertisement

ঢাকা মহানগর পুলিশ জানিয়েছে, রাজধানীতে প্রবেশের চারটি পথেই পুলিশ কাজ করছে। পুলিশের পাশাপাশি স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নও রাত থেকে গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি চালিয়েছে। টহলও বাড়ানো হয়েছে। শুক্রবারের ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় সাধারণ ডায়েরি ও মামলা হয়েছে। ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে আলাদা অভিযানে ৫১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ৪৭টি মামলা হয়েছে। বিভাগ অনুযায়ী গ্রেপ্তারের সংখ্যা:মিরপুর: ১২০ জন, তেজগাঁও: ৯২ জন, মতিঝিল: ৭৬ জন, ওয়ারী: ৬৪ জন, উত্তরা: ৪৬ জন, গুলশান: ৩৭ জন, লালবাগ: ৩৪ জন, রমনা: ৩০ জন, গোয়েন্দা বিভাগ: ১৬ জন।

অভিযানে দুটি বিদেশি পিস্তল, দুটি ম্যাগাজিন ও ১০টি গুলি উদ্ধার হয়েছে। এ ছাড়া মিলেছে তিনটি চাপাতি, পাঁচটি চাকু, বিস্ফোরিত ককটেলের অংশবিশেষ ও ৫৩টি লোহার পেরেক।

মাদকের মধ্যে উদ্ধার হয়েছে ৯৪ কেজি ৩৫০ গ্রাম গাঁজা, ১১ হাজার ১৬৭ পিস ইয়াবা ও ১২১ দশমিক ৩ গ্রাম হেরোইন। এ ছাড়া তিন বোতল বিদেশি মদ, ২০ ক্যান বিয়ার, একটি প্রাইভেট কার, পাঁচটি মোবাইল ফোন ও ৭ হাজার ২০০ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

পুলিশের জনসংযোগ ও গণমাধ্যম শাখার অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নিয়াজ মেহেদী গ্রেপ্তারের তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

গ্রেপ্তারের সংখ্যা বড় হলেও তা সব ককটেল ও অগ্নিসংযোগের ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত কি না, তা স্পষ্ট নয়। ৫১৫ জনের মধ্যে কতজন ওই দুই ঘটনায় জড়িত, তা জানানো হয়নি। উদ্ধার হওয়া মাদকের বড় পরিমাণ ইঙ্গিত দেয়, সাধারণ অপরাধ দমনের অভিযানও একই সময়ে চলেছে। ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুনের ঘটনা কোথায়, কখন ঘটেছে এবং এর পেছনে কারা, সে তথ্যও এখনো প্রকাশ পায়নি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণে অগ্রগতি হলেই বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/একেকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!