ঢাকা,  শুক্রবার   ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

[ স্বাস্থ্যকথা ]

শৌচকর্মের পর হাত ধোয়ার অভ্যাস নেই চীন-জাপানসহ অনেক দেশের!

ব্রিটিশ গবেষকদের দাবি
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২:০৭, ৬ মে ২০২০
শৌচকর্মের পর হাত ধোয়ার অভ্যাস নেই চীন-জাপানসহ অনেক দেশের!
ছবি: প্রতীকী

করোনাভাইরাস মহামারিতে এ পর্যন্ত আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা লাখকে লাখ পেরিয়ে যাচ্ছে। করোনার জন্য এখনো কোনো প্রতিষেধক বা ওষুধ আবিষ্কৃত হয়নি। তাই আগাম সতর্কতা ও পরিচ্ছন্নতার উপরেই ভরসা রাখতে হচ্ছে বিশ্বের অধিকাংশ মানুষকে।

করোনা থেকে বাঁচতে পরিষ্কার থাকার বিকল্প নেই। এজন্য চিকিৎসকরা বারবার সাবান পানিতে হাত ধোয়ার ও হাতে স্যানিটাইজার মাখার পরামর্শ দিচ্ছেন। জানলে অবাক হবেন? বারবার সাবান দিয়ে হাত ধোয়া তো দূরের কথা, শৌচকর্মের পরেও হাত ধোয়ার অভ্যাসই নেই অসংখ্য মানুষের! অন্তত এমনটাই দাবি ব্রিটিশ গবেষকদের।

২৪ মার্চ ইংল্যান্ডের বার্মিংহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা পৃথিবীর ৬৩টি দেশ নিয়ে একটি সমীক্ষা করেন। তারা জানান, চীনের প্রায় প্রায় ৭৭ শতাংশ মানুষের শৌচকর্মের পরে হাত ধোয়ার অভ্যাস নেই। চিনের পরেই রয়েছে জাপানের নাম। সে দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ শৌচকর্মের পরে হাত ধুতে অভ্যস্ত নন। আবার দক্ষিণ কোরিয়ার ৬১ শতাংশ এবং নেদারল্যান্ডসের ৫০ শতাংশ মানুষের শৌচকর্মের পরে হাত ধোয়ার অভ্যাস নেই।

অন্যদিকে, প্রায় ৪০ শতাংশ ভারতবাসীর নিয়ম মাফিক হাত ধোয়ার অভ্যাসই নেই। শীর্ষ দশের অন্যদের মধ্যে রয়েছে থাইল্যান্ড (৪৮ শতাংশ), কেনিয়া (৪৮ শতাংশ), ইতালি (৪৩ শতাংশ), মালয়েশিয়া (৪৩ শতাংশ) এবং হংকং (৪০ শতাংশ)। সেরা হাত ধোয়ার সংস্কৃতি সৌদি আরবে লক্ষ্য করা যায়, সেখানে মাত্র তিন শতাংশ মানুষ অভ্যাসগতভাবে হাত ধুতে অভ্যস্ত নয়। যেসব দেশবাসীর হাত ধোয়ার অভ্যাস নেই তারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

বার্মিংহাম বিজনেস স্কুল এর অধ্যাপক গনা পোগ্রেবনা বলেন, যেহেতু করোনার প্রতিষেধক এখনো আবিষ্কৃত হয়নি, তাই পজস্ব পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ছাড়া বিকল্প নেই। কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে সাবান দিয়ে হাত ধুতে হবে।বার্মিংহাম ল’ স্কুলের গবেষক ডা. খারলামভ বলেছেন, অনেক কারণেই বিশ্বজুড়ে কোভিড-১৯ ছড়িয়েছে। এর মধ্যে হাত না ধোয়ার সংস্কৃতি অন্যতম।

সূত্র: ট্রিবিউনইন্ডিয়া 

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেএমএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!