ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ম্যানেজারের ৩ বছরের কারাদণ্ড

আদালত প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১০:২০, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ম্যানেজারের ৩ বছরের কারাদণ্ড
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর খিলক্ষেতে নদী ভরাটের অভিযোগে করা মামলায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ম্যানেজার (অ্যাডমিন) মো. ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় বালু পরিবহনে ব্যবহৃত প্রতিষ্ঠানের মালিক মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলম নাহিদকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত এ রায় দেন।

Advertisement

রায়ে ফয়সাল মাহমুদ ও সরওয়ার জাহানকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে তাদের আরও এক মাস করে কারাভোগ করতে হবে। অন্যদিকে মুক্তার হোসেন ও নাজমুল আলমকে পাঁচ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে তাদের আরও ১৫ দিন করে কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

রায় ঘোষণার সময় চার আসামির কেউ আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। পরে আদালত তাদের জামিন বাতিল করে সাজা পরোয়ানার পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন জানান, নদী ভরাটের মামলায় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের দুই ম্যানেজারকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আর নদী ভরাটের কাজে সরঞ্জাম সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত অপর দুই আসামিকে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার নথি অনুযায়ী, উচ্চ আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ২০২১ সালের ২৪ অক্টোবর বিআইডব্লিউটিএ ও পুলিশের কর্মকর্তারা খিলক্ষেত থানার পাতিরা মৌজায় বালু নদী পরিদর্শনে যান।

পরিদর্শনের সময় প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের প্রায় সাড়ে ১২ হাজার বর্গফুট নদীর তীরভূমি ও নদীগর্ভ বালু দিয়ে ভরাট করার বিষয়টি কর্মকর্তাদের নজরে আসে।

এ ঘটনায় টঙ্গী নদীবন্দরের সহকারী পরিচালক রেজাউল করিম ওই দিনই খিলক্ষেত থানায় মামলা করেন। তদন্ত শেষে ২০২২ সালের ৩১ মে চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। পরে ২০২৩ সালের ১৬ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

মামলার বিচারকাজে রাষ্ট্রপক্ষে আটজন সাক্ষীর মধ্যে তিনজনের সাক্ষ্য নেওয়া হয়। পরে আসামিপক্ষের আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্কের শুনানি শেষে আদালত এ রায় দেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!