কঙ্গোতে কয়েক দিন পরপরই এমন সন্ত্রাসী হামলা দেখা যায়। জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট এই হামলার দায় স্বীকার করেছে। রোববার (৯ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার ইসলামিক স্টেট কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলে একটি গ্রামে হামলার দায় স্বীকার করেছে যেখানে হামলায় প্রায় ২০ জন নিহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। ইসলামিক স্টেট তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে এক বিবৃতিতে হামলার দায় স্বীকার করেছে।
.png)
রয়টার্স বলছে, গত শুক্রবার বেনির উপকণ্ঠে অবস্থিত মুসান্দাবা গ্রামে এই হামলার ঘটনাটি ঘটে। বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে হওয়া এই ধরনের সহিংসতার জন্য সেনাবাহিনী এবং স্থানীয় কর্তৃপক্ষ উগান্ডার সশস্ত্র গোষ্ঠী অ্যালাইড ডেমোক্রেটিক ফোর্সেস (এডিএফ)-কে দায়ী করে থাকে। কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় এই গোষ্ঠীটি ইসলামিক স্টেটের প্রতি আনুগত্যের অঙ্গীকার করেছে।
আরো পড়ুন>> চলমান উত্তেজনার মধ্যেই সিরিয়ায় গোলা নিক্ষেপ করল ইসরায়েল
বেনি টেরিটরির সামরিক প্রশাসক কর্নেল চার্লস ওমেওঙ্গা বলেছেন, ‘শুক্রবার আমরা মুসান্দাবা গ্রামে প্রায় ২০ জন মৃতকে উদ্ধার করেছি।’তিনি এই প্রাণহানির জন্য এডিএফকে অভিযুক্ত করেন।
নর্থ কিভু অঞ্চলের সেনা মুখপাত্র অ্যান্টনি মাওয়ালুশে বলেছেন, হামলাকারীরা ‘সেনাবাহিনীর সাথে সংঘর্ষ এড়াতে হামলার সময় ছুরি ব্যবহার করেছে।’
সংবাদমাধ্যম বলছে, কঙ্গোর সেনাবাহিনী এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষীদের ক্রমবর্ধমান হস্তক্ষেপ সত্ত্বেও কঙ্গোর পূর্বাঞ্চল বছরের পর বছর ধরে ক্রমাগত সহিংসতার মধ্যে রয়েছে এবং গত শুক্রবারের ওই প্রাণহানি ধারাবাহিক অস্থিতিশীলতারই সর্বশেষ ঘটনা।
উল্লেখ্য, কঙ্গোর গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, এডিএফ গোষ্ঠী আন্তর্জাতিক জঙ্গিগোষ্ঠী আইএসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগোযোগ রক্ষা করে চলে। চলতি বছর মার্চে এডিএফকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে ওয়াশিংটন। তবে জুন মাসের এক প্রতিবেদনে সন্ত্রাসবাদ বিষয়ক জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞরা জানান, আইএসের সঙ্গে এডিএফের সংশ্লিষ্টতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
সূত্র: রয়টার্স