ইদ্রিস আলী ঢাকার আশুলিয়া জামগড়া এলাকার আলী আহমেদের ছেলে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তার বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় দুটি হত্যা মামলা রয়েছে। এসব মামলার কারণে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞাও ছিল।
ইমিগ্রেশন পুলিশ সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালে ইদ্রিস আলী তাঁর ছোট বোন ও ভাগিনাকে সঙ্গে নিয়ে ভারতে যাওয়ার জন্য আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে আসেন। ইমিগ্রেশনে কাগজপত্র যাচাইয়ের সময় তাঁর তথ্য ডাটাবেজে পরীক্ষা করা হয়। তখন তাঁর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা এবং দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার তথ্য পাওয়া যায়। পরে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
.png)
তবে ইদ্রিস আলীর সঙ্গে থাকা তাঁর ছোট বোনের বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকায় তাঁকে ও তাঁর সন্তানকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্র-জনতার ওপর হামলা এবং অবৈধ অস্ত্র সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের অভিযোগে ইদ্রিস আলীর বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে। এসব মামলার মধ্যে দুটি হত্যা মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের দায়িত্বপ্রাপ্ত ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, ‘ইদ্রিস আলী ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে সকালে ইমিগ্রেশনে আসেন। তাঁর তথ্য ডাটাবেজে যাচাই করে একাধিক হত্যা মামলা থাকার বিষয়টি জানা যায়। পরে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাঁকে গ্রেপ্তার করে আখাউড়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।’
ইমিগ্রেশন পুলিশের দ্রুত তথ্য যাচাইয়ের কারণে দেশত্যাগের আগেই ইদ্রিস আলীকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। বর্তমানে তিনি আখাউড়া থানা-পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।