ঢাকা,  সোমবার   ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ বিনোদন ]

ইতালিতে হামলা: দেশে ফিরে মুখ খুললেন বাঁধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২:৪০, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইতালিতে হামলা: দেশে ফিরে মুখ খুললেন বাঁধন
সংগৃহীত ছবি

ইতালিতে হামলার শিকার হওয়ার পর দেশে ফিরেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে দেশে ফেরেন তিনি।

রুবাইয়াত হোসেন পরিচালিত ‘দ্য ডিফিকাল্ট ব্রাইড’ সিনেমার প্রদর্শনীতে অংশ নিতে ইতালির মেস্ত্রে শহরে গেলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের প্রবাসী কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার দাবি করেন বাঁধন। ঘটনার একটি ভিডিও পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

Advertisement

দেশে ফিরে নিজের সিনেমার টিমের সদস্যদের আচরণ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। তার দাবি, হামলার পর ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের বাকি দিনগুলোতে টিমের সঙ্গে অংশ নিতে তাকে নিষেধ করা হয়। এমনকি পরবর্তী সময়ে টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে যাওয়ার ক্ষেত্রেও তাকে নিষেধাজ্ঞার কথা জানানো হয়েছে।

বাঁধন বলেন, ‘আমার যে টিম, তারা আমাকে ডিজওন (disown) করেছে। ফেস্টিভালের বাকি দিনগুলোতে তাদের সঙ্গে অংশ নিতে নিষেধ করেছে। এমনকি পরবর্তীতে টরন্টো ফিল্ম ফেস্টিভালে যাওয়ার কথা থাকলেও তারা আমাকে সেখানেও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।’

তবে সহশিল্পীদের মধ্যে সুনেরাহ, জায়নিন ও জায়নিনের মা তাকে সহযোগিতা করেছেন বলে জানান বাঁধন।

হামলার পর ভেনিসে বিভিন্ন পক্ষের সহযোগিতা পাওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক, ইতালি সরকার, বাংলাদেশ সরকার ও ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাস তাকে সহায়তা করেছে।

বাঁধন বলেন, ঘটনার রাতেই বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। ইতালিতে বাংলাদেশের দূতাবাসের কর্মকর্তারাও তাকে সহযোগিতা করেছেন। পাশাপাশি ইতালি সরকারের সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়, আন্ডার সেক্রেটারি ও পুলিশ বিভাগ তাকে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দিয়েছে বলে জানান তিনি।

নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক তাকে লিডোতে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন বলেও জানান বাঁধন।

দেশে ফেরার পর দেশবাসীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে অভিনেত্রী বলেন, রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিন্নতা ভুলে বিভিন্ন পক্ষের নেতাকর্মী এবং প্রবাসী বাঙালিরা তাকে যে সমর্থন দিয়েছেন, তা তিনি কখনো ভুলবেন না।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার মেস্ত্রে শহরে বাঁধনকে ‘জুলাই জঙ্গি’ আখ্যা দিয়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয় বলে তার অভিযোগ। পরে ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর পর গত ৮ সেপ্টেম্বর ইতালিতে মামলা করেন তিনি।

ঘটনাটি জাতীয় সংসদেও আলোচনায় আসে। সেখানে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ওই হামলাকে ‘গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার ওপর হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এম ইউ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!