ঢাকা,  রোববার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

টাঙ্গাইলে হাটুভাঙ্গা সেতুর টোলপ্লাজায় হামলা, গ্রেপ্তার ১

বিশেষ প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৫:২২, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
টাঙ্গাইলে হাটুভাঙ্গা সেতুর টোলপ্লাজায় হামলা, গ্রেপ্তার ১
টাঙ্গাইলে হাটুভাঙ্গা সেতুর টোলপ্লাজা। ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে হাটুভাঙ্গা সেতুর টোলপ্লাজায় হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় টোল আদায়ের তিন কর্মচারীকে মারধর করে আহত করা হয়েছে। পরে এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার হাটুভাঙ্গা সেতুর টোলপ্লাজায় এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেপ্তার উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের কাবেল মিয়ার ছেলে হৃদয় খান ওরফে সেকেন্দার (২৪)।

অভিযোগ ও স্থানীয়রা জানায়, একটি ট্রাক হাটুভাঙ্গা সেতু পার হওয়ার সময় চালক টোল পরিশোধের জন্য এক হাজার টাকার নোট দেন। ওই নোটের ভাংতি দিতে কিছুটা দেরি হওয়ায় চালক ক্ষিপ্ত হয়ে ট্রাকটি রাস্তার ওপর দাঁড় করিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেন। এ সময় টোল আদায়ের কর্মচারীরা ট্রাকটি সরিয়ে নিতে বললে চালক ও হেলপার তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তারা টোলকর্মীদের মারধর করেন। পরে ওই চালক আরও কয়েকজনকে খবর দিয়ে ঘটনাস্থলে নিয়ে এসে টোল আদায়ের কর্মচারীদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

Advertisement

এ সময় টোলের ইজারাদার মাসুদুর রহমানের স্ত্রীর বোন হামলা থামাতে এগিয়ে গেলে তাকেও মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওঠে। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে মির্জাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় টোলের ইজারাদার মাসুদুর রহমানের স্ত্রী মোছা: ফারহানা বেগম বাদী হয়ে শনিবার রাতে মির্জাপুর থানায় দুজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮-১০ আসামি করে মামলা করেন।

মামলার আসামি লাভলু ওরফে লখাইয়ের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তাঁর ট্রাকের চালক টোল দিতে এক হাজার টাকার নোট দিলে টোলপ্লাজার কর্মীরা ৯০০ টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো তাঁর চালক ও হেলপারকে মারধর করেন।

এ সময় তাঁর গাড়ির গ্লাসও ভাঙচুর করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।

হাটুভাঙ্গা টোলের ইজারাদার মাসুদুর রহমান বলেন, একটি কুচক্রী মহল হাটুভাঙা সেতুর টোল আদায় বন্ধ করতে নানা ধরনের পাঁয়তারা করছে। হামলার ঘটনাটি পরিকল্পিত বলেও দাবি করেন তিনি। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান।

মির্জাপুর থানা পুলিশের উপপরিদর্শক ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাশেদ ফজল বলেন, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। অভিযান চালিয়ে মামলার এক আসামি হৃদয় খান ওরফে সেকেন্দারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে তাকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/টাঙ্গাইল
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!