শনিবার (২৫ নভেম্বর) বেলা ১১টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায় পুলিশ। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সায়লা ও শ্বশুর মনির হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।
নিহত সুজনের বোন আকলিমা বেগম জানান, সুজনের সঙ্গে তার স্ত্রীর পরকীয়া নিয়ে ঝগড়া হয়। বিষয়টি একাধিকবার পারিবারিকভাবে মীমাংসা করা হয়। কিন্তু তাতে কোনো লাভ হয়নি। সকালে তার কাছে ফোন আসে সুজন অসুস্থ। পরে ভাইয়ের ভাড়া বাড়িতে গিয়ে দেখতে পান সুজন মারা গেছেন। পরে দাফনের জন্য প্রস্তুতিকালে সুজনের গলায় ও পিঠে একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখে পুলিশকে জানান স্বজনরা।এ ঘটনায় সুজনের স্ত্রী এবং শ্বশুরকে আটক করেছে পুলিশ।
.png)
সুজনের স্ত্রী সায়লা বেগম বলেন, সারারাত নেশা করে সুজন নিজে আত্মহত্যা করেছেন। সকালে আমার বড় ছেলে হামিম তার বন্ধুদের নিয়ে বাড়ির পাশে সুতার মিল থেকে তাকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই।
মুন্সিগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার থান্দার খাইরুল ইসলাম জানান, নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এটি আত্মহত্যাও হতে পারে বা শ্বাসরোধ করে হত্যাও হতে পারে। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।