সোমবার (১৩ নভেম্বর) ভৈরবের কমলপুর গ্রামে এমন ঘটনা ঘটেছে। ভুক্তভোগী স্বামী সোহাগ মিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত পারভীন বেগম (৩০) ও তার পরকীয়া প্রেমিক আলামিন মিয়াকে (২২) আটক করেছে পুলিশ।
জানা গেছে, সোহাগ মিয়া জুতার কারখানায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বড়াইল গ্রামের খয়ের মিয়ার ছেলে। পরিবার নিয়ে ভৈরবের কমলপুর উলাকিয়া হাটির লাল মিয়ার বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। তার একটি মেয়ে ও একটি ছেলে রয়েছে।
.png)
আটক আলামিন মিয়া ভৈরব পৌর এলাকার গাছতলা ঘাটের মকবুল মিয়ার ছেলে।
এলাকাবাসী জানায়, সোমবার দুপুরে স্বামী সোহাগ মিয়ার ভাড়া বাসায় পরকীয়া প্রেমিক ও স্ত্রী তাকে মারধর করেন। একপর্যায়ে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার চেষ্টা করা হয় তাকে। এ সময় সোহাগ মিয়ার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন সেখানে ছুটে যান। প্রতিবেশীরা দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে। আর অভিযুক্তদের আটক করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়।
ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক সুরভি আক্তার জানান, রোগীর অবস্থা খুবই খারাপ। সঙ্গে কোনো লোকজন নেই। তাকে ইনজেকশন ও স্যালাইন দেওয়া হয়েছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠানো জরুরি।
এ বিষয়ে ভৈরব থানার এসআই শহিদুর রহমান বলেন, অভিযুক্তদের আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।