তানজিন তামান্না অর্ণা'র দুটি কবিতা
নিঃস্ব
চুমুগুলো অস্পৃশ্যই রয়ে গেল
মুঠোফোনের দেয়ালে বন্দী,
চোখের আকুলতায় যে রাতটা নেমে আসত ;
সময়ের পারে বসে
ভালোবাসতে বাধ্য করেছে
ঐ চাহনির মাদকতায়।
আঁধারের নিঃশ্বাসে উষ্ণতা ছড়িয়ে দিয়ে
যে ভালোবাসায় উন্মাদ করেছিলে,
আজ শ্রবণেন্দ্রিয়
সে ভাষা খুঁজে ফেরে নিঃশব্দের আন্দোলনে,
উঠানামা নিঃশ্বাসের নামতায়
ধিমে আঁচে যে নির্বাক বাসনা জ্বলত ;
তার ক্লান্ত দেহ পুড়ে পুড়ে আজ ছাই ভস্মীভূত।
.png)
আর তুমি ডুবে গেলে কালো সময়ের জলে।
কেন চোখে স্বপ্নের সরিষা ফুটিয়ে
ঝুলে থাকা সিলিংয়েই
আহুতির বন্দোবস্ত করে দিলে..?
ভালোবাসোনি অথচ নিঃস্ব করে গেলে
কোন ভুলের মাশুলে...?
সুই সেইডেয়ার
অন্ধকারের আবডালে ঝুলন্ত দেহের ছবি ;
ভায়োলিনের করুণ বেহাগ
আহুতির সুর ধরে গোপনে,
কতটা আড়ালে সে সম্ভাষণ..!!
দাঁড়কাকের ঠোঁটে হাসি।
নিঃশব্দ চিৎকার কানের তালা কামড়ে
অবুঝ দৃষ্টি দেয়ালের ;
চুমুকে চুমুকে কষ্টগুলো গলধঃকরণ
হজমের পায়তারায় নিমগ্ন মুহূর্ত,
সেকেন্ডের কাটায় শ্বাসের দৌড়াদৌড়ি
চোখের পাতায় স্বপ্নের সাদা কাফন।
অসার দেহ সকল ডিপ্রেশনের বহু ঊর্ধ্বে ;
বিকৃত মস্তিষ্কে কেবল নিবিড় ঘুমের নেশা
মদিরার সাগরে যেন ডুবে যাওয়া,
নিজেকে ভুলে লুকোচুরি খেলায় মত্ত
আলো আঁধারের গোপন সুড়ঙ্গ,
যেখানে রয়েছে হয়ত সকল সমাধান...!!!
কেবল একটি সিলিং এবং একটি রশির প্রয়োজন।