টাঙ্গাইলে শিশু ধর্ষণ মামলায় একজনের যাবজ্জীবন
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় শিশু ধর্ষণ মামলায় এক ব্যক্তিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে টাঙ্গাইলের শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক আব্দুল মজিদ আসামির উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন বলে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) খন্দকার মো. রোকুনুজ্জামান জানান।
দণ্ডিত ৫৫ বছর বয়সী রশিদ মিয়া মির্জাপুর উপজেলার মহেড়া ইউনিয়নের আগছাওয়ালী গ্রামের গোলাম হোসেনের ছেলে। রায় ঘোষণার পর তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
সাজার পাশাপাশি বিচারক তাকে দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন; অনাদায়ে তাকে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
মামলার বরাতে পিপি রোকুনুজ্জামান বলেন, ২০২৪ সালে ১৪ এপ্রিল ১৪ বছরের এক শিশু তার দাদিকে ডাকতে পুকুর পাড়ে যায়। এ সময় প্রতিবেশী রশিদ মিয়া শিশুটিকে তার দাদি বাড়িতে গেছেন বলে জানান।
পরে শিশুটিকে সঙ্গে নিয়ে নিজের বাড়িতে গিয়ে সেখানে ধর্ষণ করেন তিনি। এ সময় এ ঘটনা কাউকে জানালে শিশু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যা করবে বলে জানায়।
পরে ভিকটিমের শারীরিক অবস্থা পরিবর্তন হলে মায়ের কাছে ধর্ষণের কথা জানায়। এক পর্যায়ে সে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পিপি বলেন, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর মেয়েটি তার বাবার বাড়িতে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেয়। পরে ভুক্তভোগী বাদী হয়ে ২০২৫ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। আদালতের নির্দেশে মির্জাপুর থানায় মামলাটি এজাহারভুক্ত করা হয়।
দন্ডিত আসামি রশীদ মিয়ার ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টে ভিকটিমের কন্যা সন্তানের পিতা বলে নিশ্চিত হয়। ট্রাইব্যুনালের বিচারক রায়ে ধর্ষণের ফলে জন্ম নেওয়া শিশুর পিতা ধর্ষক রশিদ মিয়াকে উত্তরাধিকার ঘোষনা করেন।
.png)