পরিদর্শনকালে বিসিআইসি ডিলার মেসার্স কৃষ্ণপদ সাহা ট্রেডার্স এবং বিএডিসি ডিলার মেসার্স রায়হান বীজ ভাণ্ডার-এর বিক্রয়কেন্দ্র ও গোডাউনের সার মজুত ও বিক্রয় কার্যক্রম সরেজমিনে যাচাই করা হয়।
এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাঠপর্যায়ের মনিটরিংয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মোঃ হারুনুর রশীদ ডিলারদের সার আগমনী প্রতিবেদন, মজুত রেজিস্টার, বিক্রয় রেজিস্টার ও ক্যাশমেমো পর্যালোচনা করেন। বিক্রয় রেজিস্টারে থাকা তথ্যের সঙ্গে ক্যাশমেমোর তথ্য মিলিয়ে সার বিক্রয়ের প্রকৃত চিত্রও যাচাই করেন তিনি।
.png)
শুধু ডিলারদের নথিপত্র যাচাইয়ের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা। কৃষক পর্যায়ে সার সরবরাহ ও ন্যায্যমূল্যে সার প্রাপ্তির বাস্তব চিত্র জানতে জানুয়ারি ২০২৬ থেকে চলতি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সার আগমনের তথ্য যাচাই করা হয়। পাশাপাশি মজুত রেজিস্টার, বিক্রয় মেমো ও বিক্রয় রেজিস্টারে থাকা কৃষকদের মোবাইল নম্বরে সরাসরি ফোন করে সার কেনার বিষয়েও খোঁজ নেন তিনি।
সরাসরি কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে সার প্রাপ্তি, মূল্য এবং বিক্রয় কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করেন উপসচিব ড. মোঃ হারুনুর রশীদ। এতে ডিলার পর্যায়ের নথিপত্রের সঙ্গে মাঠপর্যায়ের বাস্তব পরিস্থিতির সামঞ্জস্যও যাচাই করা হয়।
পরিদর্শন শেষে ফরিদপুর উপজেলার সার মজুত পরিস্থিতি ও বিতরণ ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের এই কর্মকর্তা। একই সঙ্গে সার সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট কৃষি কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান তিনি।
এ সময় সংশ্লিষ্ট ডিলারদের সার মজুত, সংরক্ষণ ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিবিধান ও নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়। কৃষকদের কাছে ন্যায্যমূল্যে সার পৌঁছে দিতে এবং কোনো ধরনের অনিয়ম যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকারও পরামর্শ দেওয়া হয়।
পরিদর্শনকালে ফরিদপুর উপজেলা কৃষি অফিসার আল ইমরান, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আকাশ কুমার পোদ্দার এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।