পটুয়াখালীতে তীব্র শীতে বাড়ছে ঠাণ্ডাজনিত রোগ

ঢাকা, শুক্রবার   ০৫ জুন ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ২২ ১৪২৭,   ১২ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

পটুয়াখালীতে তীব্র শীতে বাড়ছে ঠাণ্ডাজনিত রোগ

পটুয়াখালী প্রতিনিধি ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৭:৩২ ৩ জানুয়ারি ২০২০   আপডেট: ১৭:৫২ ৩ জানুয়ারি ২০২০

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

পটুয়াখালীতে তীব্র শীতের পর বৃহস্পতিবার ভোর রাত থেকে শুরু হয়েছে অবিরাম বৃষ্টিপাত। ফলে শীতের তীব্রতা আরো দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টির পাশাপাশি দমকা হাওয়ার ফলে উপকূলে আকস্মিক দুর্যোগের আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু-বৃদ্ধসহ নানা বয়সী মানুষ। স্থবির হয়ে পড়েছে কর্মমুখী মানুষের কর্ম চঞ্চলতা। আরো কয়েকদিন এই বৃষ্টিপাত চলবে বলে নিশ্চিত করেছে আবহাওয়া অধিদফতর।  

অবিরাম বৃষ্টির পাশাপাশি উপকূল জুড়ে বাতাস বইছে। এছাড়াও টানা বৃষ্টির কারণে কর্মমুখী মানুষ ঘরবন্দী হয়ে পড়েছে। স্থবির হয়ে পড়ছে জেলাসহ উপকূলের জনজীবন।  এছাড়াও নিম্ন ও মধ্যবৃত্ত পরিবারের জনগোষ্ঠি চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। 

পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস জানায়, শুক্রবার জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃষ্টির পাশাপাশি তীব্র এই শীতের আদ্রতা আরো কয়েকদিন থাকবে এবং আরো দুই দিন জেলায় ভারী এবং মাঝারি বৃষ্টিপাত সম্ভাবনা রয়েথেছ। তবে কোনো দুর্যোগের আশঙ্কা নেই বলে নিশ্চিত করেছে আবহাওয়া অধিদফতর। 

এদিকে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,আকস্মিক এই বৃষ্টির কারণে জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঠাণ্ডাজনিত রোগ বাড়তে শুরু করেছে। জেলা শহরের পানামা ডায়াগনস্টিক সেন্টারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে-বরিশাল শের-ই-বাংলা থেকে চিকিৎসা দিতে আসা শিশু বিশেষজ্ঞ সহযোগী অধ্যাপক উত্তম কুমার সাহার চিকিৎসা কক্ষে শিশু রোগীর উপচে পড়া ভিড়। 

তাইমুন ইসলাম নামে এক শিশু রোগীর মা রোকসানা জানান, ছেলে ঠাণ্ডা জনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে চিকিৎসক জানিয়েছেন। শহরে আরো কয়েকটি প্রাইভেট স্বাস্থ্য সেবা সেন্টারে গিয়ে দেখা যায় শিশু রোগীর উপচেপড়া ভিড়। 

এদিকে জেলার কলাপাড়া রাঙ্গাবালী উপজেলায় রাত থেকে টানা বর্ষণ শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে। বৃষ্টির জন্য ঘর থেকে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি শীতের তীব্রতা আরো বেড়ে গেছে। 

ডেইলি বাংলাদেশ/এমকে