ঢাকা,  শনিবার   ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

[ খেলা ]

মেসির বিদায়ী জার্সি এখন রিভার প্লেটের জাদুঘরে

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১০:১৭, ১০ অক্টোবর ২০২৬
মেসির বিদায়ী জার্সি এখন রিভার প্লেটের জাদুঘরে
মেসির বিদায়ি জার্সি এখন রিভার প্লেটের জাদুঘরে। ছবি : রয়টার্স

ফুটবলের কিছু মুহূর্ত মাঠের খেলা শেষ হওয়ার পরও ভক্তদের মনে অমলিন হয়ে থাকে। তেমনই এক স্মারক হয়ে উঠেছে আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির বিদায়ী ম্যাচের ১০ নম্বর জার্সি। কিংবদন্তি এই ফুটবলারের উপহার দেওয়া জার্সিটি এখন জায়গা পেয়েছে আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী ক্লাব রিভার প্লেটের জাদুঘরে।

জার্সিটি শুধু একটি পোশাক নয়; এটি মেসির দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার, অসংখ্য অর্জন এবং কোটি ভক্তের ভালোবাসার প্রতীক। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ফুটবল ইতিহাসের এই স্মৃতি ধরে রাখতেই জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হচ্ছে জার্সিটি।

মেসির জার্সি জাদুঘরে স্থান পেলেও তাঁর ফুটবলীয় কীর্তি ভক্তদের স্মৃতিতে বেঁচে থাকবে। বাঁ পায়ের জাদু, গোলের পর উদ্‌যাপন এবং সতীর্থদের সঙ্গে আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার মুহূর্তগুলো তাঁকে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় চরিত্র করে রাখবে।

বিদায়ী ম্যাচেও বল পায়ে নিজের ছাপ রেখেছেন মেসি। বেনিনের বিপক্ষে ম্যাচে আর্জেন্টিনার তিনটি গোলেই ছিল তাঁর অবদান। ৪৮ মিনিটে মেসির নেওয়া কর্নার থেকে গোল করেন নিকোলাস ওতামেন্দি। ৬১ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে নিকো পাজের করা দৃষ্টিনন্দন গোলেও ছিল মেসির পাসের অবদান।

এরপর ৭১ মিনিটে পেনাল্টি থেকে নিজেই গোল করেন মেসি। তাতে ৩-০ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে আর্জেন্টিনা। দলের জয়ে অবদান রেখে বিদায়ী ম্যাচটিকে স্মরণীয় করে রাখেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।

৮৫ হাজারের বেশি দর্শকের সামনে মেসির বিদায় ছিল আবেগে ভরা। গ্যালারিতে সমর্থকদের উল্লাসের সঙ্গে মিশে ছিল প্রিয় তারকাকে জাতীয় দলের জার্সিতে আর দেখতে না পাওয়ার বেদনা। ভক্তদের চোখের জল আর কণ্ঠের উচ্ছ্বাসে তৈরি হয় স্মরণীয় এক পরিবেশ।

জাতীয় দলের হয়ে দীর্ঘ ২১ বছরের পথচলায় মেসি গড়েছেন একাধিক কীর্তি। আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ ম্যাচ খেলা ও সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড নিয়ে বিদায় নেওয়ার কথা বলা হয়েছে প্রতিবেদনে। ২০৮ ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ১২৬। বিদায়ী ম্যাচের পর নিজের ১০ নম্বর জার্সিটি রিভার প্লেটকে উপহার দেন তিনি। জার্সিতে লিখে দেন ভালোবাসার বার্তা। সেই জার্সিই এখন সংরক্ষিত রয়েছে ক্লাবটির জাদুঘরে—ফুটবল ইতিহাসের এক আবেগঘন অধ্যায়ের স্মারক হয়ে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!