ঢাকা,  শনিবার   ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩

[ খেলা ]

ক্যারিবীয়দের ইতিহাস: ৫০১ রানের ম্যাচে ভারতকে হারিয়েছে

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯:১১, ১০ অক্টোবর ২০২৬
ক্যারিবীয়দের ইতিহাস: ৫০১ রানের ম্যাচে ভারতকে হারিয়েছে
ছবি: সংগৃহীত

যেখানে বোলারদের জন্য ছিল বিভীষিকা, আর ব্যাটারদের জন্য স্বর্গরাজ্য। ম্যাচে ভারতের বিশাল পাহাড়সমান ২৪৯ রানও রক্ষা করা গেল না। শাই হোপ ও শেরফান রাদারফোর্ডের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ভর করে ভারতকে ৬ উইকেটে হারিয়ে সিরিজে ১-১ সমতা এনেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সফল রান তাড়া এবং ক্যারিবীয়দের জন্য রেকর্ড গড়া জয়। এর আগে টস জিতে ফিল্ডিং বেছে নেওয়ার পর মনে হয়েছিল ম্যাচটি ভারতের পক্ষেই যাবে। সঞ্জু স্যামসনের ৮২ এবং শেষ দিকে শ্রেয়াস আইয়ার ও তিলক ভার্মার ঝোড়ো ফিনিশিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ২৪৯ রানের বিশাল সংগ্রহ দাঁড় করায় ভারত।

শুধু ২১ বলে ফিফটি তুলে নেন স্যামসন, যা ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে যৌথভাবে দ্রুততম ভারতীয় ফিফটির রেকর্ড। এছাড়া ঈশান কিষাণ (৪৩) ও শেষ দিকে তিলক (অপরাজিত ৪৪) ও আইয়ারের (৪০) তাণ্ডবে বড় স্কোরের ভিত পায় স্বাগতিকরা। মাঝের ওভারে রোস্টন চেজের দারুণ বোলিং (৩/২৪) কিছুটা প্রতিরোধ গড়লেও শেষ ৫ ওভারে ৮০ রান তুলে নেয় ভারত।

রান তাড়ায় নেমে ৫ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজকে জয় এনে দেন শাই হোপ ও রাদারফোর্ড। ম্যাচের পরিস্থিতি বিবেচনা করে হোপ খেলেন ৪৫ বলে অপরাজিত ১০২ রানের এক দায়িত্বশীল ও বিধ্বংসী ইনিংস। যেখানে ছিল ৯টি ছক্কার মার। অন্যদিকে, রাদারফোর্ড ৩৭ বলে করেন ৮৪ রান।

খেলার দ্বিতীয় ইনিংসে শিশির বড় প্রভাব ফেলে। যার খেসারত দিতে হয় ভারতের স্পিনারদের। অক্ষর প্যাটেল ৩ ও ৩ বলে দেন ৬৩ রান, আর কুলদীপ যাদব ৪ ওভারে খরচ করেন ৫৩ রান। চতুর্থ উইকেটে হোপ ও রাদারফোর্ডের মাত্র ৫৪ বলে ১২০ রানের জুটি ম্যাচ ভারতের হাত থেকে পুরোপুরি কেড়ে নেয়। রোমারিও শেফার্ডের ক্যামিও ইনিংস ব্যবধান আরও কমিয়ে আনে।

শেষ পর্যন্ত জয়ের জন্য ১০ রান প্রয়োজন ছিল, যা শাই হোপ মাত্র ৩ বলেই তুলে নেন। অক্ষর প্যাটেলকে ছক্কা হাঁকিয়ে নিজের সেঞ্চুরি পূর্ণ করার পাশাপাশি দলের জয়ও নিশ্চিত করেন এই ক্যারিবীয় ওপেনার। ম্যাচে মোট রান ওঠে ৫০১, যা পুরুষদের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!