বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে সামরিক বাহিনী ও সশস্ত্র বিদ্রোহীদের মধ্যে সংঘর্ষে অনেক বেসামরিক মানুষ নিহত হয়েছেন। এছাড়া বাস্তুচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। বিদ্রোহীদের সঙ্গে লড়াইয়ে একের পর এক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে নির্বিচার হামলা চালাচ্ছে সামরিক বাহিনী।
সূত্রের বরাত দিয়ে বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বিদ্রোহী ও জান্তা বাহিনীর সংঘর্ষের জেরে গত অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ৫৫৪ জনের বেশি মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। আর গত বছরে সামরিক বাহিনীর হামলায় নিহত হয়েছেন ১ হাজার ৬০০ জনের বেশি বেসামরিক মানুষ। সংখ্যাটা এর আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৩০০ জন বেশি।
.png)
এমন সময় এ বিবৃতি প্রকাশ করা হলো, যখন মিয়ানমারের অনেক অঞ্চল সামরিক বাহিনীর হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে বিভিন্ন সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী।
এ নিয়ে জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্ক বলেছেন, সামরিক অভ্যুত্থানের তিন বছর পর মিয়ানমারের ক্রমাগত অবনতিশীল মানবাধিকার সংকট এখন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে। দেশটির জনগণ দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী। সেনাবাহিনী ও সশস্ত্র বিরোধীদের মধ্যে তুমুল যুদ্ধে ব্যাপক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে এবং বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছে।
মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার বলেন, আমি মিয়ানমারের সব ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্বকারী নাগরিক সমাজ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সাহস ও সহনশীলতার প্রশংসা করছি। একই সঙ্গে মিয়ানমারে মানবাধিকারের প্রতি সম্মান জানাতে এবং গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে যেকোনো রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় তাদের সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানাচ্ছি।