বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে তার মন্তব্যের জন্য সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তিনি তীব্র সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছিলেন এবং পদত্যাগের আহ্বানও জানিয়েছিলেন অনেকে। তবে পদ ছাড়ার নির্দিষ্ট কোনো কারণ জানাননি তিনি।
বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি জানান, চলতি বছরের জুন মাসের শেষদিকে বিশ্বব্যাংকের পদ ছাড়বেন তিনি। তার মেয়াদ ২০২৪ সালে শেষ হওয়ার কথা ছিল, অর্থাৎ এক বছর আগেই এলো এমন ঘোষণা।
.png)
এক বিবৃতিতে ম্যালপাস বলেছেন, গত চার বছর আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে অর্থবহ সময় ছিল।
আরো পড়ুন>> জানা গেল নেপালের সেই উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের সম্ভাব্য কারণ
তিনি আরো বলেন, অনেক অগ্রগতি করার পরে এবং অনেক চিন্তাভাবনার পরে, আমি নতুন চ্যালেঞ্জগুলো অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
ম্যালপাস যোগ করেন, আমি গর্বিত যে, উন্নয়নশীল দেশগুলো অভূতপূর্ব সংকটের সম্মুখীন হওয়ার সাথে সাথে আমরা সাড়া দিয়েছি।
এর আগে ২০১৯ সালের এপ্রিলে বিশ্বব্যাংকের সভাপতি হন ম্যালপাস। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পছন্দের ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত তিনি। ফলে, শুরু থেকেই বাইডেন প্রশাসনের সাথে নানা বিষয়ে তিনি দ্বিমত পোষণ করে আসছেন।
সবশেষ জলবায়ু পরিবর্তনসহ নানা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক যে পদ্ধতিতে ঋণ দেয় তা পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন ম্যালপাস।
আরো পড়ুন>> তাজিকিস্তানে ভয়াবহ তুষারধস, ১৫ জনের মৃত্যু
অন্যদিকে বর্তমানে বৈশ্বিক সংকটের মধ্যে অন্যতম হলো 'জলবায়ু পরিবর্তন', তা অস্বীকার করে আসছিলেন বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্ট।
এসব কারণে মার্কিন ট্রেজারি ও বাইডেন প্রশাসনের সাথে তার দূরত্ব বাড়তে থাকে।
উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থা যা উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য ঋণ ও অনুদান প্রদান করে। সারা বিশ্বের ১৮৯টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন, ডি.সি. - তে অবস্থিত।
সূত্র: সিএনএন