ঢাকা,  শুক্রবার   ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩

[ স্বাস্থ্যকথা ]

শ্বেতী থেকে দাঁতের সমস্যা দূর করবে এই মশলা

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৪:১৯, ২৪ ডিসেম্বর ২০২০
শ্বেতী থেকে দাঁতের সমস্যা দূর করবে এই মশলা
ছবি: জায়ফল গুঁড়া

বাঙালি রান্না মশলা ছাড়া চিন্তাই করা যায় না। প্রায় সব ধরনের রান্নাতেই নানা প্রকার মশলা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। আর এসব মশলা শুধু যে রান্নার স্বাদ গন্ধ বাড়ায়, তা কিন্তু নয়। স্বাস্থ্যের জন্যও খুবই উপকারী এগুলো।

এরমধ্যে জনপ্রিয় এক মশলা জায়ফল। বিরিয়ানি কিংবা মোগলাই যে খাবারই রান্না করুন না কেন জায়ফল দরকার হবেই। স্বাদ বাড়ানোর পাশাপাশি নানা গুণে সমৃদ্ধ এই মশলা। ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ প্রভৃতি দেশে মূলত জায়ফল গাছের চাষ হয়। আয়ুর্বেদ চিকিৎসা শাস্ত্রে একে ত্রিদোষনাশক ভেষজ বলে অভিহিত করা হয়।  

> জায়ফল রুচি বৃদ্ধি করে বা এক কথায় বলা হয় অরুচিনাশক। শরীর উষ্ণ রাখে, শক্তিবর্ধক, খিদে বাড়ায়, বায়ু-পিত্ত-কফের বৈষম্য দূর করে, ব্রণ, মেছতা, ত্বকের কালো দাগ ও শ্বেতী আরোগ্য করে।  

> জায়ফল ঘষে নিয়ে দিনে দুবার মাথায় লাগালে বা কপালে প্রলেপ দিলে সাইনোসাইটিসজনিত যন্ত্রণায় চটপট আরাম দেয়। 

> বুক ধড়ফড় করলে বা অতিরিক্ত পালপিটেশন হলে জায়ফল চূর্ণ ২৫ মিলিগ্রাম দুধসহ খেলে অব্যর্থ উপকার হয়। 

আরো পড়ুন: শীতে শরীর গরম রাখবে এসব খাবার

>পেশির খিঁচুনি বা মাসকুলার ক্র্যাম্প হলে ২৫-৪০ মিলিগ্রাম জায়ফল চূর্ণ মধুসহ খেলে অব্যর্থ উপকার হয় বা জয়ফল ঘষে নিয়ে ব্যথার জায়গায় লাগালে চটজলদি আরাম পাওয়া যায়।  

> দাঁতের যন্ত্রণায় জায়ফলের তেল তুলায় একটু শুষে ব্যথার স্থানে লাগালে উপকার হয়। 

> গায়ে চাকা চাকা দাগ যাকে আমরা আমবাত বা আর্টিকারিয়া বলি, জায়ফলের তেল এ ক্ষেত্রে আশ্চর্য ফলদায়ক। 

> অনিদ্রা মানুষের শারীরিক ও মানসিক বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ বলা যায়। তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য শুকনো আমলকই দুই টুকরো, সামান্য বিট লবণ ও এক চিমটি জায়ফল গুঁড়া রাতে শোয়ার আগে পানিসহ খেলে উপকার পাওয়া যায়। 

> মধুর সঙ্গে জায়ফল ঘষে পেস্ট তৈরি করে খেলে বমিভাব তৎক্ষণাৎ দূর হয়। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়তা করে। 

> খাওয়ার রুচি বৃদ্ধিতে, খিদে ও হজমশক্তি বাড়াতে আপেল, কলা প্রভৃতিতে বা যে কোনো ফল ও সালাদে সামান্য জায়ফলের গুঁড়া ব্যবহার করলে উপকার হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/কেএসকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!