ঢাকা,  রোববার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ ফিচার ]
স্ত্রীর প্রশংসা করাও সুন্নত

আজ স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৭:৩৭, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আজ স্ত্রীর প্রশংসা করার দিন
ইসলামের দৃষ্টিতে স্বামী-স্ত্রী একে-অপরের একান্ত আপনজন। তাদের সম্পর্ক এতটাই কাছের যে পবিত্র কোরআনে তাদের একজনকে অপরজনের শরীরের পোশাকের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

বিবাহিত জীবনের সম্পর্ক গভীর ও নিবিড় হয় একে-অপরের সঙ্গে মন খুলে ভালোবাসা বিনিময়ের মাধ্যমে এবং ভালো গুণের প্রশংসার মাধ্যমে। মুমিনের জীবনের প্রতিটি দিকের মতো স্ত্রীর প্রতিটি ভালো গুণ এবং ভালো কাজের প্রশংসা করার শিক্ষা দিয়েছেন নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের শিক্ষা অনুসারে স্ত্রীর প্রশংসা করাও সুন্নত।

প্রতি বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় রোববার যুক্তরাষ্ট্রে স্ত্রীর প্রশংসা দিবস উদযাপিত হয়। ২০০৬ সাল থেকে দেশটিতে দিবসটি উদযাপিত হয়ে আসছে।

Advertisement

কাউকে সম্মান ও প্রশংসা করার জন্য ইসলাম বিশেষ কোনো দিনের কথা বলেনি। বরং সর্বাবস্থায় সবাইকে যথাযথ সম্মান ও প্রয়োজনীয় প্রশংসা করতে নির্দেশ দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্ত্রীকে সম্মান দেওয়া, তার প্রশংসা করা এবং তার কাজের স্বীকৃতি দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘তোমরা তাদের (স্ত্রীদের) সঙ্গে ন্যায়ের পথে বসবাস করো।’ -সূরা আন নিসা: ১৯

পৃথিবীতে পবিত্র সম্পর্ক হিসেবে স্বামী-স্ত্রী সম্পর্ককে অবহিত করা হয়। মহান আল্লাহ তায়ালা মূলত পৃথিবীতে স্বামী-স্ত্রীকে একে অপরের পরিপূরক হিসেবে সৃষ্টি করেছেন।

তিনি বিবাহ নামক পবিত্র বন্ধন এর মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর অন্তরে একের প্রতি অপরের মায়া মমতা ভালবাসা সম্মান শ্রদ্ধা জাগিয়ে তোলেন। তাইতো পৃথিবীর প্রতিটি আদর্শ স্বামী নিজের স্ত্রী প্রতি যত্নবান। তারা শুধুমাত্র স্ত্রীকে ভালোবাসেন না বরং স্ত্রীর ভালো কাজের প্রশংসা করে থাকেন। 

আমাদের সমাজে প্রায়শই দেখা যায়, স্ত্রীর শ্রম ও অবদান স্বাভাবিক হিসেবে ধরা হয়। ঘর-সংসার, সন্তান, অফিস—সবকিছু সামলাতে গিয়ে স্ত্রী যে ক্লান্ত হয়, যে লড়াই করে—তা আমরা অনেক সময় অবহেলা করি। অথচ সংসারের চালিকাশক্তি তিনি। কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাই লিখেছিলেন: “বিশ্বের যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যাণকর, অর্ধেক তার করিয়াছে নারী, অর্ধেক তার নর।”

ইসলামের দৃষ্টিতে স্বামী-স্ত্রী একে-অপরের একান্ত আপনজন। তাদের সম্পর্ক এতটাই কাছের যে পবিত্র কোরআনে তাদের একজনকে অপরজনের শরীরের পোশাকের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে।

পোশাক যেভাবে শরীরের সঙ্গে লেগে থাকে, স্বামী-স্ত্রীও একে-অপরের সঙ্গে লেগে থাকেন। স্বামী-স্ত্রীর এই সম্পর্ক বোঝাতে পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘তারা (স্ত্রীরা) তোমাদের জন্য পোশাকস্বরূপ এবং তোমরা তাদের জন্য পর্দাস্বরূপ।’ -সূরা আল বাকারা: ১০

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসএমএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!