ঢাকা,  শনিবার   ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

নিখোঁজের আগে অপ্রতিমের সঙ্গে দেখা যায় ক্যাপ পরা একজনকে

ডেইলি-বাংলাদেশ ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৯:০৭, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নিখোঁজের আগে অপ্রতিমের সঙ্গে দেখা যায় ক্যাপ পরা একজনকে
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে নিখোঁজ হওয়ার দিন ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের সঙ্গে একজনকে দেখা যায়। ছবি: সিসিটিভি ফুটেজ থেকে নেওয়া

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের সন্তান ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতীমকে (১৩) একটি ছেলের সঙ্গে ঘোরাঘুরি করতে দেখা গেছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ৪৬ সেকেন্ডের একটি সিসিটিভি ফুটেজ থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোবাইল নিয়ে একটি মুদি দোকানের সামনে যায় অপ্রতীম। এর কিছুক্ষণ পর সেখানে মাথায় ক্যাপ পরা একজন কিশোর উপস্থিত হয়। এরপর সেখান থেকে তারা দুইজন চলে যায়। যদিও তারা সেখান থেকে কোথায় গিয়েছে তা জানা যায়নি। 

Advertisement

পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, অপ্রতীম নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই তাকে উদ্ধারে বিভিন্নভাবে চেষ্টা চালানো হচ্ছিল। কোটবাড়ী ও বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন এলাকার সিসিটিভি ফুটেজও পর্যালোচনা করা হয়। আজ সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার সময় একটি ফুটেজে অপ্রতীমকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের কাছে এক কিশোরের সঙ্গে দেখা যায়। তার বয়স অপ্রতীমের চেয়ে বেশি এবং মাথায় ক্যাপ ছিল।

পুলিশ জানায়, শনিবার দুপুর ১টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়ের নির্জন এলাকা থেকে অপ্রতিমের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারের সময় তার মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়। তবে কীভাবে তার মৃত্যু হয়েছে, তাৎক্ষণিকভাবে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম বলেন, শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে অপ্রতিম অটোরিকশায় করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আসে। সেখানে একটি ছেলের সঙ্গে তাকে হাত মেলাতে এবং কথা বলতে দেখা যায়। এরপর শনিবার দুপুরে লালমাই পাহাড়ের নির্জন এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। 

তিনি বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে ওই কিশোরকে আটক করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে মরদেহ উদ্ধারের পর কোটবাড়ী এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। তদন্তের স্বার্থে সন্দেহভাজন হিসেবে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/একেকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!