শচীনের জন্য প্রথম স্পন্সর পেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ

ঢাকা, বুধবার   ২৭ মে ২০২০,   জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৭,   ০৩ শাওয়াল ১৪৪১

Beximco LPG Gas

শচীনের জন্য প্রথম স্পন্সর পেয়েছিলেন মাহমুদউল্লাহ

ক্রীড়া প্রতিবেদক ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম

 প্রকাশিত: ১৫:৫৯ ২২ মে ২০২০   আপডেট: ১৬:২৮ ২২ মে ২০২০

ভারতের মাস্টার ব্লাস্টার ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকার এবং টাইগার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

ভারতের মাস্টার ব্লাস্টার ব্যাটসম্যান শচীন টেন্ডুলকার এবং টাইগার টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

বাংলাদেশে ক্রিকেটের স্তম্ভ বর্তমান টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মিডল ওয়ার্ডারের এ ব্যাটসম্যান অনেক ম্যাচে বাংলাদেশের রক্ষা কবচ হিসেবে কাজ করেছেন।  আর তাই পেয়েছেন ও অনেক। নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় বছরেই তার জন্য সুপারিশ করেছিলেন খোদ ভারতীয় ক্রিকেট ঈশ্বর শচীন টেন্ডুলকার। শচীনের সুপারিশেই জীবনের প্রথম স্পন্সরও পান বর্তমান বাংলাদেশ দলের অন্যতম সিনিয়র এ ক্রিকেটার।

২০০৮ সালে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে বাংলাদেশে ভারত ও পাকিস্তান দল। কাঁধের চোটের কারণে একদম শেষমুহূর্তে ছিটকে যান শচীন টেন্ডুলকার। তবে যাওয়ার আগে মাহমুদউল্লাহর ব্যাপারে নিজের মুগ্ধতার কথা জানিয়ে যান ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাসকে। তখন শচিনের স্পন্সর ছিল অ্যাডিডাস। তার কথায় মাহমুদউল্লাহকেও স্পন্সরশিপের প্রস্তাব দিয়েছিল প্রতিষ্ঠানটি।

বৃহস্পতিবার রাতে ক্রিকেটভিত্তিক ওয়েবসাইট ক্রিকফ্রেঞ্জির সঙ্গে এক ফেসবুক লাইভে এ কথা জানিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ নিজেই। তবে প্রসঙ্গটা এনেছিলেন জনপ্রিয় সঞ্চালক কাজী সাবির। শচিনের সেই সফরের কথা মনে করিয়ে দিতেই নিজ থেকে বাকিটা বলেন মাহমুদউল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘উনার (শচীন) সঙ্গে খেলেছি ২০০৮ সালে। হোম সিরিজ ছিল আমাদের। আমার অভিষেক হয়েছিল ২০০৭ সালের জুলাইয়ে। ঐ সিরিজটাতে আমি মোটামুটি ভালোই করেছিলাম। একদিন আমি অনুশীলন থেকে বাসায় ফিরছিলাম। তখন গাড়িতে একজন আমাকে ফোন দেয়। তখন শচীন স্যারের স্পন্সর অ্যাডিডাস। যেহেতু আমি তরুণ ক্রিকেটার, তখন আমার কোন স্পন্সর ছিলো না। উনি আমাকে বললেন যে, শচীন স্যার সুপারিশ করেছে আপনাকে স্পন্সর করার জন্য’।

শচীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে মাহমুদউল্লাহ আরো বলেন, আমি বুঝতে পারছিলাম না কী বলব। তখন আমি তাকে ধন্যবাদ দেই। হয়তো সামনাসামনি কখনো বলা হয়নি। উনার খেলা দেখে বড় হয়েছি, উনার সঙ্গে খেলতে পারা সৌভাগ্য বলতে হয়। উনার কাছ থেকে এতো বড় কমপ্লিমেন্ট এবং সাজেশন পাওয়া অনেক বড় অর্জন। উনাকে সত্যি অনেক ধন্যবাদ।

ডেইলি বাংলাদেশ/আরএস