দুর্দান্ত ইনিংস খেলাটা সময়ের ব্যাপার মনে হয়েছিল: ব্রুক
চোটের কারণে ওয়ানডে সিরিজে ইংলিশদের হয়ে খেলতে পারছেন না নিয়মিত অধিনায়ক জস বাটলার। তার অনুপস্থিতিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন হ্যারি ব্রুক। মাত্র ১৮ মাস আগে ওয়ানডেতে অভিষিক্ত এই ক্রিকেটার ব্যাট হাতে আহামরি ফর্মে ছিলেন না। অজিদের সঙ্গে অবশ্য তিনি একেবারেই ভিন্ন রূপে আবির্ভূত হয়েছেন।
পাঁচ ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে পড়া ইংল্যান্ড সমতা টেনেছে। টানা দুই ম্যাচে ইংলিশদের জয়ের নায়ক ব্রুক। তৃতীয় ম্যাচে খেলেন ৯৪ বলে ১১০ রানের অপরাজিত ইনিংস। লর্ডসে বৃষ্টিবিঘ্নিত চতুর্থ ওয়ানডেতে করেনন ৫৪ বলে ১১ চার ও এক ছক্কায় ৮৭ রান।
ভালো সময় আসার ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী ছিলেন ২৫ বর্ষী এই ক্রিকেটার। ম্যাচ শেষে তিনি বলেন, ‘এটা আমার কাছে সময়ের ব্যাপার বলে মনে হয়েছিল। মনে হচ্ছে আমি সারা গ্রীষ্ম মৌসুমে ভাল খেলছি। শুধু জ্বলে ওঠার দরকার ছিল। আমার জন্য শেষ কয়েকটি ম্যাচ সত্যিই বিশেষ ছিল।’
বাইশ গজে ব্রুকের সঙ্গে ঝড় তুলেছিলেন ২৭ বলে ৩ চার ও ৭ ছক্কায় অপরাজিত ৬২ রান করা লিয়াম লিভিংস্টোন। তার প্রশংসায় ব্রুকের মন্তব্য, ‘তিনি বলকে অবিশ্বাস্য ও দারুণ পেটাচ্ছিলেন। আমরা সবাই জানি, তিনি শেষদিকে কেমন ইনিংস খেলতে সক্ষম।’
বৃষ্টির কারণে বিলম্বে ম্যাচ শুরু হওয়ায় সেটি ৩৯ ওভারে নেমে এসেছিল। আগে ব্যাট করা ইংলিশরা ৫ উইকেটে ৩১২ রান তোলে। বড় রান তাড়ায় ট্রাভিস হেড ও মিচেল মার্শের উদ্বোধনী জুটি ৬৮ রান যোগ করেন। এরপর ঘটে ব্যাটিং বিপর্যয় ৫৮ রানের মধ্যে সব উইকেট হারিয়ে ২৪.৪ ওভারে মাত্র ১২৬ রানেই গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। ১৮৬ বিশাল জয়ের স্বাদ পায় ইংল্যান্ড।
ইংল্যান্ডের হয়ে ম্যাথু পট ৩৮ রানে ৪ উইকেট নেন। জোফরা আর্চার ২টি ও ব্রাইডন কার্স পান ৩ উইকেট। দীর্ঘ সময় পর মাঠে ফেরা আর্চারের একটি ডেলিভারির গতি ছিল ৯৩ মাইল (১৫০ কি.মি./ঘণ্টা)। তাকে নিয়ে ব্রুকের ভাষ্য, ‘এটা দেখাটা অসাধারণ ছিল। আমরা জানতাম সিমাররা পিচ থেকে সবচেয়ে বেশি সহায়তা পাচ্ছে। আমি তাদের যতটা সম্ভব, তত ওভার বল করানোর চেষ্টা করেছি।’