এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত রংপুরের সংগ্রহ ১০ ওভারে পাঁচ উইকেটে ৮৭ রান।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরি স্টেডিয়ামে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১৫১ রান সংগ্রহ করে ফরচুন বরিশাল। এখন জয়ের জন্য রংপুরের প্রয়োজন ৭৭ রান।
.png)
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রংপুরের। দলটির হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন ব্রেন্ডন কিং ও মুমিনুল হক। উইকেটে এসেই ঝোড়ো গতিতে রান তোলেন কিং। কিন্তু রানের খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরেন মুমিনুল।
ম্যাচের তৃতীয় ওভারে মুমিনুলককে প্যাভিলিয়নের পথ দেখান মেয়ার্স। পরে ক্রিজে আসেন সাকিব আল হাসান। তার সঙ্গে ৫০ রানের জুটি গড়েন কিং।
পাওয়ার প্লের শেষ বলটি ডাউন দ্য উইকেটে খেলতে গিয়ে উইকেট হারান কিং। মিরাজের ঘূর্ণিতে তাকে স্ট্যাম্পিং করেন মুশফিক। এতে ফিফটির আক্ষেপ নিয়েই সাজঘরে ফেরেন এ ক্যারিবীয় ব্যাটার (৪৫)।
এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট বিলিয়ে দেন সাকিব, নুুরুল হাসান ও শেখ মাহেদী। তাতে স্নায়ুচাপে পড়ে দলটি। সেই চাপ সামলে দলকে এগিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন নিশাম ও মুরস।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন ফরচুন বরিশাল অধিনায়ক তামিম ইকবাল। বিপিএলের ইতিহাসে ১০০তম ম্যাচ খেলতে নেমেছিলেন তামিম। তবে তার বিশেষ ম্যাচটি স্মরণীয় হতে দেয়নি রংপুরের তারকা সাকিব আল হাসান।
বরিশালের হয়ে ইনিংস উদ্বোধনে নামেন তামিম ইকবাল ও টম ব্যান্টন। ইনিংসের শুরু থেকে ব্যান্টন রয়েসয়ে খেললেও ঝোড়ো ব্যাটিং করেন তামিম। তাদের জুটিতে ভালোভাবেই এগোচ্ছিল বরিশাল।
ম্যাচের পঞ্চম ওভারে আক্রমণে আসেন সাকিব আল হাসান। বোলিংয়ে এসেই সফল হন তিনি। ওভারের প্রথম বলেই তামিমকে সাজঘরের ফেরান। আউট হওয়ার আগে ৩৩ করেন এ বাঁহাতি ব্যাটার।
এরপর ক্রিজে আসেন কাইল মেয়ার্স। তার ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহের পথে এগোতে থাকে বরিশাল। কিন্তু তার বিদায়ের পর খেই হারিয়ে ফেলে দলটি। সাজঘরের ফেরার আগে ৪৬ করেন তিনি।
ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছেন মুশফিকুর রহিম (৫), সৌম্য সরকার (০), মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ (৯) ও মেহেদী মিরাজ (৩)। শেষ মুহূর্তে সাইফউদ্দিন ও ম্যাককয়ের ছোট্ট ইনিংসে ভর করে ১৫১ রানে থামে বরিশালের ইনিংস।
রংপুরের হয়ে সর্বোচ্চ ৫ উইকেট শিকার করেন আবু হায়দার রনি।
বিস্তারিত আসছে...