ঢাকা,  সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ স্পটলাইট ]

ডিজেলের দাম বাড়তেই পরিবহন-পণ্য বাজারে নৈরাজ্য

মো. শাহজাহান মো. শাহজাহান
প্রকাশিত: ১৭:২৬, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ডিজেলের দাম বাড়তেই পরিবহন-পণ্য বাজারে নৈরাজ্য
বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে অভূতপূর্ব নৈরাজ্যের চিত্র

জ্বালানি তেলের রেকর্ড মূল্যবৃদ্ধির ধাক্কায় রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সাধারণ মানুষের জনজীবন এক চরম বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে। লিটারপ্রতি ডিজেলের দাম একলাফে ২০ টাকা বাড়ার ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই গণপরিবহন খাতে নৈরাজ্য শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নতুন কোনো ভাড়ার তালিকা চূড়ান্ত করার আগেই ঢাকার অভ্যন্তরীণ রুট এবং দূরপাল্লার বাসগুলোতে ইচ্ছেমতো ভাড়া আদায় শুরু হয়েছে। গণপরিবহনের এই আকস্মিক ও লাগামহীন ভাড়া বৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়েছে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে। পরিবহন খরচ বাড়ার অজুহাতে পাইকারি থেকে খুচরা—সব স্তরেই শাকসবজি, পেঁয়াজ, রসুনসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম রাতারাতি বেড়ে গেছে। এক দিনেই মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

আজ সকাল থেকে রাজধানীর মিরপুর, উত্তরা, বাড্ডা, ফার্মগেট, মহাখালী ও সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল ঘুরে দেখা গেছে নৈরাজ্যের বেশ কিছু চিত্র। বিআরটিএর কোনো নির্দেশনা বা নতুন চার্ট ছাড়াই বাসের চালক ও হেলপাররা নিজেদের সুবিধামতো বাড়তি ভাড়া দাবি করছেন। ঢাকার অভ্যন্তরীণ রুটে স্টপেজভেদে ৫ থেকে ১২ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। কোনো কোনো রুটে ভাড়া প্রায় দ্বিগুণ করা হয়েছে। কিলোমিটারপ্রতি ভাড়া যেখানে আগে ২.৫০ থেকে ৩ টাকার মধ্যে ছিল, সেখানে এখন অনেক রুটে ৪ টাকা থেকে ৫.৫০ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। মিরপুর ১০ থেকে কারওয়ান বাজারের নিয়মিত ভাড়া ২০ টাকা থাকলেও আজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা নেওয়া হয়েছে। ফার্মগেট থেকে সায়েদাবাদ রুটে ১৫ টাকার পরিবর্তে ২৫ টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Advertisement

ভাড়া নিয়ে সকাল থেকেই প্রতিটি বাস ও স্টপেজে যাত্রী এবং কন্ডাক্টরদের মধ্যে তুমুল বাকবিতান্ডা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। অনেক স্থানে তা হাতাহাতি পর্যন্ত গড়িয়েছে। মিরপুর ১০ নম্বর গোলচত্বরে বিকল্প পরিবহনের একটি বাসে ভাড়া নিয়ে এক বেসরকারি চাকরিজীবীর সঙ্গে কন্ডাক্টরের মারমুখী অবস্থান তৈরি হয়। যাত্রী কামরুল হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মিরপুর থেকে কারওয়ান বাজারের নিয়মিত ভাড়া ২০ টাকা। আজ হেলপার জোর করে ৩০ টাকা দাবি করছে। জিজ্ঞেস করলেই তেলের দামের দোহাই দেয়। বিআরটিএ এখনো ভাড়া বাড়ায়নি, তাহলে এরা কেন ডাকাতি করবে? প্রতিবাদ করলে বাস থেকে নেমে যেতে বলে। 

উত্তরা থেকে মতিঝিল যাওয়া অফিসকর্মী নাজমা আক্তার বলেন, প্রতিদিন যেখানে ৪০ টাকা খরচ হতো। আজ সকালে ৭০ টাকা নিয়েছে। বাস মালিকরা তেলের দাম বাড়ার অজুহাতে যাত্রীদের গলা কাটছে। 

বাসের কন্ডাক্টর রহমত আলী বলেন, মালিকপক্ষ সকালে বলে দিয়েছে ভাড়া বাড়িয়ে নিতে। লিটারে ২০ টাকা বাড়লে আমরা পকেটের টাকা দিয়ে গাড়ি চালাব নাকি? যাত্রীরা আমাদের গালিগালাজ করছে কিন্তু আমাদের কিছু করার নেই। তেলের দাম কমালে আমরাও কম নেব। মিরপুর রুটের চালক জসিম উদ্দিন বলেন, ডিজেলের দাম বাড়ার পর এক ট্রিপে অতিরিক্ত ৮০০ থেকে ১২০০ টাকা খরচ হচ্ছে। মালিকরা বলেছে ভাড়া না বাড়ালে গাড়ি চালানো যাবে না। আমরাও যাত্রীদের মতো চাপে আছি। 

সায়েদাবাদ টার্মিনালের আরেক চালক আবদুল মালেক বলেন, দূরপাল্লার বাসে জ্বালানি খরচ আরও বেশি। ঢাকা থেকে খুলনা ট্রিপে আগে যেখানে ৮ হাজার টাকা ডিজেল লাগত সেখানে এখন প্রায় ১১ হাজার টাকা লাগছে। তাই ভাড়া বাড়াতে বাধ্য হচ্ছি।

কাউন্টারভিত্তিক ও দূরপাল্লার বাসগুলোর চিত্র আরও ভয়াবহ। সায়েদাবাদ ও গাবতলী টার্মিনালে সরকারি কোনো তালিকা প্রকাশের আগেই বাস মালিকরা দক্ষিণাঞ্চল ও উত্তরাঞ্চলের রুটে যাত্রীপ্রতি ফ্ল্যাট ৫০ থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছেন। ঢাকা-খুলনা রুটে আগে ৬৫০ টাকার টিকিট আজ ৭৫০ থেকে ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ঢাকা-রাজশাহী রুটে ৭০০ টাকার জায়গায় ৮৫০ টাকা চাওয়া হচ্ছে। ঢাকা-সিলেট রুটেও ৫০ থেকে ১০০ টাকা বাড়তি আদায় করা হচ্ছে।

দূরপাল্লার যাত্রী আবুল কাশেম বলেন, কোনো নোটিশ ছাড়াই ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে। টিকিট কাটতে গিয়ে বিপাকে পড়েছি। 

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক বলেন, বিআরটিএ ভাড়া নির্ধারণ না করেই মালিকরা ইচ্ছেমতো বাড়াচ্ছে। এটা যাত্রীদের ওপর সরাসরি জুলুম। আমরা সরকারের কাছে দ্রুত নতুন ভাড়া তালিকা চূড়ান্ত ও কঠোর মনিটরিংয়ের দাবি জানাচ্ছি। সমিতির আরেক নেতা মো. শাহজাহান বলেন, যাত্রীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকারকে এখনই হস্তক্ষেপ করতে হবে। ভাড়া নৈরাজ্য চলতে দিলে সামাজিক অসন্তোষ বাড়বে।

তেলের দাম বাড়ার অজুহাতে শুধু যাত্রীবাহী বাসই নয়, পণ্য পরিবহনে নিয়োজিত ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও পিকআপের ভাড়াও এক ধাক্কায় ২০ থেকে ৩৫ শতাংশ বাড়িয়ে দিয়েছেন মালিকরা। বগুড়া, যশোর, রাজশাহী, মেহেরপুর, কুষ্টিয়া ও পাবনা থেকে যেসব সবজি ও নিত্যপণ্য ঢাকায় আসে সেগুলোর পরিবহন খরচ এক রাতের ব্যবধানে কয়েক হাজার টাকা বেড়ে গেছে। ঢাকা-বগুড়া রুটে একটি ট্রাকের ট্রিপে জ্বালানি বাবদ অতিরিক্ত ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার ৫০০ টাকা  লাগছে। ঢাকা-যশোর রুটে ভাড়া ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। পিকআপ ভ্যানের ক্ষেত্রেও ভাড়া ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে। 

বাংলাদেশ ট্রাক-কাভার্ডভ্যান মালিক সমিতির এক নেতা বলেন, ডিজেলের দাম বাড়লে আমাদের খরচ সরাসরি বেড়ে যায়। ঢাকা-বগুড়া রুটে একটি ট্রাকের ট্রিপে এখন জ্বালানি বাবদ অতিরিক্ত ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা বেশি লাগছে। এই বাড়তি টাকা আমাদের পকেট থেকে দেওয়া সম্ভব না। স্বাভাবিকভাবেই ট্রাকের ভাড়া বাড়াতে হয়েছে। 

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, জ্বালানি খরচ বেড়ে যাওয়ায় পরিবহন খাত টিকে থাকতে পারছে না। আমরা বিআরটিএ’র সঙ্গে বৈঠক করে যৌক্তিক ভাড়া নির্ধারণের অনুরোধ জানিয়েছি। কিন্তু যাত্রী ও পণ্য পরিবহনে নৈরাজ্য চলতে দেওয়া যাবে না।

পণ্য পরিবহনের এই অস্বাভাবিক ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব সরাসরি আঘাত হেনেছে রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে। কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ী, সূত্রাপুর, রামপুরা ও মিরপুর বাজার ঘুরে দেখা গেছে, তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পুরোপুরি পড়তে শুরু করেছে। বাজারে আসা প্রায় প্রতিটি পণ্যের দাম কেজিতে ১০ থেকে ৩৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পেঁয়াজ ও রসুনের বাজারে। এক দিন আগে যে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল প্রতি কেজি ৯০ থেকে ৯৫ টাকায়, আজ তা ১০৫ থেকে ১১৫ টাকায় ঠেকেছে। রসুনের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ থেকে ২৫ টাকা। আগে ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় বিক্রি হওয়া রসুন আজ ২৪৫ থেকে ২৫৫ টাকার কাছাকাছি। কাঁচামরিচের দাম কেজিতে ১৫ থেকে ২৫ টাকা বেড়েছে। আলু ৩৫ টাকা থেকে ৪৫-৪৮ টাকায় উঠেছে। বেগুন, পটল, ঢেঁড়স, করলাসহ সব ধরনের সবজির দাম এখন সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের বাইরে। 

কারওয়ান বাজারের পাইকারি বিক্রেতা হাজী লোকমান হোসেন জানান, আজ আড়তে মাল কম এসেছে। কুষ্টিয়া আর যশোর থেকে যে ট্রাকগুলো সবজি নিয়ে আসে, প্রতি ট্রাকে ভাড়া ৪ হাজার টাকা বেশি চাইছে চালকরা। আড়তদাররা সেই বাড়তি ভাড়া পণ্যের ওপর যোগ করছে। আমরা পাইকারিতে বেশি দামে কিনছি, তাই খুচরা বিক্রেতাদেরও একটু বেশি দামে নিতে হচ্ছে। ব্যবসার মূল খরচ তো পরিবহন। 

যাত্রাবাড়ী বাজারের পাইকারি ব্যবসায়ী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেন, ট্রাক ভাড়া না বাড়লেও তেলের দামের অজুহাতে সবাই দাম বাড়াচ্ছে। এক দিনে পেঁয়াজের দাম ১৫ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। রসুনে ২৫ টাকা। এভাবে চললে বাজার আরও অস্থির হবে। সূত্রাপুর বাজারের আরেক পাইকারি ব্যবসায়ী নজরুল ইসলাম বলেন, প্রতি ট্রাকে অতিরিক্ত ৩ থেকে ৫ হাজার টাকা ভাড়া বাড়ার কারণে সবজির দাম কেজিতে অন্তত ৮ থেকে ১২ টাকা বাড়াতে হচ্ছে। 

খুচরা বাজারে এই দামের প্রভাব আরও দ্বিগুণ আকারে দেখা যাচ্ছে। রামপুরা বাজারের খুচরা বিক্রেতা মফিজুল ইসলাম বলেন, আমাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই। পাইকারি বাজারেই যদি সবজির দাম চড়া থাকে, আমরা কম দামে কীভাবে বিক্রি করবো? গতকাল যে পটল ৫০ টাকা কেজি বেচেছি, আজ পাইকারিতেই সেটা কেনা পড়ছে ৫৫ থেকে ৫৮ টাকা। আমরা ৬০ থেকে ৬৫ টাকা না বেচলে লোকসান হবে। 

মিরপুর ১০ নম্বর বাজারের দোকানি শফিকুল ইসলাম বলেন, ক্রেতারা রাগ করে চলে যায়। কিন্তু আমরাও তো লোকসান দিতে পারি না। পরিবহন খরচ বেড়েছে বলে সবকিছুর দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছি। বাড্ডা বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী রফিক উদ্দিন বলেন, আলু, পেঁয়াজ, রসুন—সবকিছুর দাম এক দিনেই ১০ থেকে ২৫ টাকা বেড়েছে। ক্রেতারা কম দামে চান, কিন্তু আমাদের খরচও তো বেড়েছে।

বাজারে আসা সাধারণ ক্রেতাদের চোখে-মুখে এখন কেবল হতাশা আর ক্ষোভের ছাপ। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের কোনো সামঞ্জস্য না থাকায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলো দিশেহারা হয়ে পড়েছে। একদিকে যাতায়াত খরচ বৃদ্ধি, অন্যদিকে খাবারের পেছনে বাড়তি খরচ সাধারণ মানুষের জীবনকে চাপের মুখে ফেলছে। কারওয়ান বাজারে বাজার করতে আসা স্কুলশিক্ষক আবদুল মজিদ বলেন, আমার বেতন সীমিত। বাসের ভাড়া বাড়ায় প্রতিদিন যাতায়াতে ৪০ থেকে ৫০ টাকা বেশি খরচ হচ্ছে। আবার বাজারে এসে দেখছি পেঁয়াজ, আলু, সবজি সবকিছুর দাম বাড়তি। এক দিনের ব্যবধানে পুরো বাজারের বাজেট উলট-পালট হয়ে গেছে। তেল-পেঁয়াজ কিনতে কিনতেই যদি সব টাকা শেষ হয়ে যায়, তবে ছেলেমেয়ের পড়াশোনার খরচ আর ঘরের ভাড়া দেব কীভাবে? 

গৃহিণী সুফিয়া বেগম বলেন, বাজারে এলে এখন ভয় লাগে। কোনো কিছুর দামেই হাত দেওয়া যায় না। একটা জিনিসের দাম বাড়লে ব্যবসায়ীরা অন্য সবকিছুর দাম বাড়িয়ে দেয়। তেলের দাম বাড়ার সাথে কাঁচামরিচ আর রসুনের কী সম্পর্ক? এরা সিন্ডিকেট করে আমাদের পকেট কাটছে। 

ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংগঠন ও অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতির পেছনে সরকারের বাজার ও পরিবহন ব্যবস্থার ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ না থাকাই প্রধান কারণ। তেলের দাম বাড়ার ঘোষণার পরপরই বিআরটিএ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে যে ধরনের কঠোর মনিটরিং করা উচিত ছিল, তা মাঠপর্যায়ে দৃশ্যমান নয়। এই সুযোগেই পরিবহন ও বাজারের মধ্যস্বত্বভোগীরা সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে ফেলেছে। 

অর্থনৈতিক বিশ্লেষক ড. আবুল বারকাত বলেন, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির এই বহুমুখী প্রভাব দেশের সামগ্রিক মূল্যস্ফীতিকে আরও উসকে দেবে। গণপরিবহনের ভাড়া ও নিত্যপণ্যের দামের এই লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি যদি দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করা না যায়, তবে বাজারে অরাজকতা তৈরি হবে, যা দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। 

ডেইলি-বাংলাদেশ//এসআই
স্পটলাইট জনপ্রিয় খবর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!