ঢাকা,  বৃহস্পতিবার   ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২২ আশ্বিন ১৪৩৩

[ রাজধানী ]

পৃথক ঘটনায় গৃহকর্মীসহ তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৮:৪৬, ২২ জানুয়ারি ২০২০
পৃথক ঘটনায় গৃহকর্মীসহ তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার
সংগৃহীত

রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় গৃহকর্মীসহ তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে ময়নাতদন্ত শেষে  স্বজনরা লাশ নিয়ে যান। 

মৃতরা হচ্ছেন, গৃহকর্মী স্বর্ণা (১৬), মাদ্রাসা শিক্ষার্থী জুলেখা আক্তার জুলি (১৫)ও নির্মাণ শ্রমিক ফিরোজ কবির (১৯)। 

গুলশান থানার উপপরিদর্শক (এসআই)  মোহাম্মদ মামুন মিয়া বলেন, গুলশানে ৪৮ নম্বর রোডের রেজাউল করিম খানের বাসার সার্ভেন্ট রুম থেকে দরজা ভেঙে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে পাঠানো হয়।

বাসার লোকজনের বরাদ দিয়ে তিনি জানান, স্বর্ণা ওই বাসায় দীর্ঘদিন ধরে গৃহকর্মী হিসাবে কাজ করতো। ওইদিন দুপুরের পর অন্য গৃহকর্মী শেফালী ও কমলা সার্ভেন্ট রুমে দরজা বন্ধ পান এবং ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে মালিককে জানান। মালিক বিষয়টি পুলিশকে জানালে মেয়েটির মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। তবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে কিছুই বলতে পারেনি বাড়ির লোকজন। 

স্বর্ণা কিশোরগঞ্জ সদরের বত্রিশ গ্রামের ফাইজুল ও খোরশেদা বেগমের মেয়ে। 

এদিকে, একই দিন (মঙ্গলবার)  দুপুরে  ভাটারা বোর্ডঘাট এলাকার মজিবরের টিনসেট বাসায় ভাড়াটিয়ার কক্ষ থেকে জুলেখা আক্তার জুলি (১৫) নামে এক মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নুর ইসলাম সিকদার।

মৃতের পরিবারের বরাদ দিয়ে তিনি জানান, মেয়েটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ৬ষ্ঠ শেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা আব্দুল জলিল সিএনজি অটোরিকশা চালক। তার মা মর্জিনা বেগম গার্মেন্টস কর্মী। ওইদিন সকালে মেয়েটির বাবা, মা, বোন সকাল সাতটায় কাজে চলে যান। দুপুরে বাবা বাসায় এসে দেখতে পান দরজা খোলা। রুমে প্রবেশ করে মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশকে সংবাদ দেন। পুলিশের ওই কর্মকর্তা বলেন ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যাবে। মৃতের গ্রামের বাড়ী গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার ঘোরাইদ গ্রামে। 

অপরদিকে, বুধবার সকালে রাজধানীর সবুজবাগ থানার মধ্য বাসাবো এলাকার একটি নির্মাণাধীন ভবনে ফ্যানের হুকের সঙ্গে রশিতে ঝুলন্ত নির্মাণ শ্রমিক  ফিরোজ কবিরের (১৯) মরদেহ উদ্ধার করেন থানার এসআই মামুনুর রশিদ। তিনি বলেন, ওই নির্মাণাধীন ভবনে  কাজ করতেন এবং সেখানেই থাকতেন ফিরোজ। মঙ্গলবার রাতে গলায় ফাঁস দেন তিনি। কি কারণে, কেন, এ ঘটনা ঘটেছে তা জানা যায়নি। তবে ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। 

গাইবান্ধা জেলার ফুলছড়ি উপজেলার বনারপাড়া গ্রামের মো. ইনছার আলীর ছেলে ফিরোজ। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এসএএম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!