রোববার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির সদর দফতরে ‘মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে অবৈধ অর্থ স্থানান্তর নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ: অনলাইন জুয়া নিয়ে একটি গবেষণা’ বিষয়ে গবেষণা প্রতিবেদন শীর্ষক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, সিআইডিসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযান পরিচালনা, ডিভাইস জব্দসহ অপরাধীদের গ্রেফতার করতে পারতো। কিন্তু নতুন সাইবার নিরাপত্তা আইনে অবৈধ অর্থপাচারের ধারায় এখন সেটা সম্ভব হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে আমরা সহজে কিছু করতে পারছি না। নতুন আইন হবার পর অনলাইন গ্যাম্বলিংয়ের অভিযোগে কোনো মামলা হয়নি। অথচ অনলাইন গ্যাম্বলিংয়ে অবৈধভাবে অর্থপাচার বাড়ছে।
.png)
তিনি আরো বলেন, অনলাইন গ্যাম্বলিং এখন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। এ কারণে প্রতিনিয়ত দেশ থেকে ই-মানির মাধ্যমে টাকা পাচার হচ্ছে। কোনো একটি সংস্থার পক্ষে এই অনলাইন গ্যাম্বলিং নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এজন্য সব সংস্থার সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
সিআইডির এ কর্মকর্তা বলেন, অনলাইন জুয়ার ক্ষেত্রে আমরা এখনো পিছিয়ে আছি। আমাদের টুলসের অভাব। আমরা চাই সবাই সিআইডিকে তথ্য দেন, আমরা ব্যবস্থা নেবো। এখনই ব্যবস্থা না নিলে এ ধরনের অপরাধ থামবে না। অপরাধীদের ধরতে পারলেই এসব অনলাইন জুয়া থামবে।
বাংলাদেশে কত মানুষ অনলাইন জুয়ায় আসক্ত বা জুয়া খেলছে, এর দ্বারা কি পরিমাণ টাকা পাচার হচ্ছে- বিষয়ে মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, কতজন লোক জুয়া খেলছে, তারা কারা? যারা জুয়া অর্গানাইজ করছে তারা কারা? বাংলাদেশে এর ওপর কোনো গবেষণা নেই, তথ্য নাই। এজন্যই একটি ডাটা সেন্টার তৈরি করতে চাচ্ছি। ডাটাবেজ থাকলে অনলাইন বেইজ, ট্রেড বেইজে আন্ডার ও ওভার ইনভয়েজের মাধ্যমে, ই-মানির মাধ্যমে কী পরিমাণ টাকা পাচার হচ্ছে তা জানা সহজ হতো।