ঢাকা,  রোববার   ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

[ আইন-আদালত ]

মাওলানা ফারুকী হত্যা মামলায় ৬ আসামির বিচার শুরু

আদালত প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৪:২৯, ৮ নভেম্বর ২০২৬
মাওলানা ফারুকী হত্যা মামলায় ৬ আসামির বিচার শুরু
ছবি: সংগৃহীত

ইসলামী ফ্রন্টের নেতা ও টেলিভিশনের ইসলামী অনুষ্ঠানের উপস্থাপক মাওলানা নুরুল ইসলাম ফারুকী হত্যা মামলায় ছয় আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা মামলাটির বিচার কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।

রোববার (৮ নভেম্বর) দুপুরে শুনানি শেষে ঢাকার নবম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. শহিদুল ইসলামের আদালত এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ৬ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ধার্য করা হয়েছে।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, কারাগারে থাকা আসামি হাদিসুর রহমান সাগরকে ভার্চুয়ালি অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়। এ ছাড়া জামিনে থাকা তিন আসামির পক্ষ থেকে করা অব্যাহতির আবেদন আদালত নাকচ করেছেন।

তবে অপর দুই আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিষয়ে শুনানি হয়নি।

মামলার ছয় আসামি হলেন হাদিসুর রহমান ওরফে সাগর, আব্দুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, রফিকুল ইসলাম ফারদীন, আবু রায়হান মাহমুদ আব্দুল হাদী, মাহমুদ ইবনে বাশার এবং রতন চৌধুরী ওরফে ইঞ্জিনিয়ার রিপন ওরফে রাকিবুল ইসলাম রিয়াজ।

আদালতে হাজিরা দেন জামিনে থাকা আব্দুল্লাহ আল তাসনিম নাহিদ, রতন চৌধুরী ওরফে রিয়াজ ওরফে রিপন এবং আবু রায়হান মাহমুদ আব্দুল হাদী। অন্যদিকে মাহমুদ ইবনে বাশার ও রফিকুল ইসলাম ফারদীন পলাতক রয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ সালের ৫ নভেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) অতিরিক্ত বিশেষ পুলিশ সুপার কে এম আবুল কাশেম ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। একই সঙ্গে অভিযোগপত্রে ১২ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ২৭ আগস্ট সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানীতে নুরুল ইসলাম ফারুকীর বাসার কলিং বেল বাজায় দুর্বৃত্তরা। দরজা খুলে দিলে দুজন ব্যক্তি বাসায় প্রবেশ করে তার সঙ্গে ড্রয়িংরুমে বসে কথা বলতে থাকে।

কিছুক্ষণ পর আরও ছয় থেকে সাতজন সেখানে প্রবেশ করে। এ সময় বসার জায়গা সংকুলান না হওয়ায় ফারুকীর মামাতো ভাই মারুফ হোসেন ভেতর থেকে চেয়ার আনতে যান। ফিরে এসে তিনি দেখতে পান, দুর্বৃত্তরা নুরুল ইসলাম ফারুকীর মাথায় পিস্তল ও চাপাতি ধরে রেখেছে।

পরে বাসার অন্য সদস্যদের বেঁধে ফেলে দুর্বৃত্তরা। একপর্যায়ে নুরুল ইসলাম ফারুকীকে কুপিয়ে হত্যা করে তারা। এ ঘটনায় তার ছেলে ফয়সাল ফারুকী বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় আট থেকে ১০ জনকে আসামি করে শেরেবাংলা নগর থানায় হত্যা মামলা করেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!