ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আইন-আদালত ]

পরকীয়া প্রেমিকের সহায়তায় স্বামীকে হত্যা: স্ত্রী উর্মি কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৭:৪৩, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩
পরকীয়া প্রেমিকের সহায়তায় স্বামীকে হত্যা: স্ত্রী উর্মি কারাগারে
ছবি: সংগৃহীত

ঢাকার দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জে পরকীয়ার জেরে প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে স্বামী মারুফকে হত্যা মামলায় গ্রেফতার স্ত্রী উর্মি আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আসামিকে আদালতে হাজির করে হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে পুলিশ। পরে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জুলহাস উদ্দিন আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আদালতে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার সাধারণ নিবন্ধন শাখা সূত্রে বিষয়টি জানা গেছে।

Advertisement

মামলার সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতার উর্মির সঙ্গে ইমরানের দীর্ঘদিনের অবৈধ সম্পর্ক ছিল। তারা গোপনে বিয়ে করার চেষ্টা করেন। এতে বাধা হয়ে দাঁড়ান উর্মির স্বামী মারুফ। আর এই বাধা সরিয়ে ফেলতে উর্মি ও ইমরান মিলে মারুফকে হত্যার পরিকল্পনা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২১ সালের ২১ মে রাতে মারুফকে কৌশলে বাইরে নিয়ে মদপান করান ইমরান। ওইদিন রাত ২টার দিকে ঘরে ফেরেন মারুফ। এসময় মারুফকে উর্মি জুসের সঙ্গে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পান করান। এতে মারুফ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লে উর্মি পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী মারুফকে হত্যার জন্য তার প্রেমিক ইমরানকে খবর দেন।

পরদিন সকাল ৬টার দিকে ইমরান এসে মারুফের ঘরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পর উর্মি ও ইমরান মিলে তাদের পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক হাতুড়ি দিয়ে মারুফের মাথায় সজোরে আঘাত করেন। এতে মারুফ ঘটনাস্থলেই মৃত্যুবরণ করেন। পরে উর্মি ও ইমরান হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হাতুড়ি ও রক্তমাখা জামাকাপড় পাশের ডোবার পানিতে ফেলে পালিয়ে যান।

এ হত্যাকাণ্ডের পর নিহত মারুফের পরিবার বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানায় উর্মি ও ইমরানের নামে হত্যা মামলা করে। মামলার ভিত্তিতেই পুলিশ উর্মি ও ইমরানকে গ্রেফতার করে। পরে উর্মি জামিনে বের হয়ে আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনা জানতে পেরে র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল উর্মিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ কেরাণীগঞ্জ থানার কদমতলী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উর্মিকে গ্রেফতার করা হয়।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!