বুধবার প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা প্রতিবেদন দাখিল না করায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শেখ সাদী প্রতিবেদন দাখিলের নতুন দিন ধার্য করেন।
আদালতে সূত্রাপুর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা রনপ কুমার বিষয়টি নিশ্চত করেছেন।
.png)
এর আগে গত ২৩ জুলাই এ হত্যা মামলায় গ্রেফতার প্রেমিক সৈকত সরকার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, নিহত শিপা শেখ বোরহানউদ্দিন পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করতেন। তার প্রেমিক সৈকত উদয়ন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। দুইজন দুই ধর্মের, বিয়ে করতে পারবে না, পরিবারও মেনে নেবে না। এসব বিষয় নিয়ে গত ২২ জুলাই দুপুরের দিকে শিপা ও সৈকতের মধ্যে ঝগড়া হয়। এক পর্যায়ে সৈকত শিপার শ্বাসরোধে অচেতন করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। পরে স্থানীয় লোকজন এসে তাকে আটক ও শিপাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় শিপার বাবা মো. ফজলুর রহমান বাদী হয়ে সূত্রাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।
এজাহারে বাদী উল্লেখ করেন, আসামির সঙ্গে আমার মেয়ে আফসানা আক্তার শিপার ২/৩ বছর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। কিন্তু ধর্মীয় ভিন্নতা থাকায় আমরা তার সম্পর্ক মেনে নেইনি। আসামি সৈকত আমার মেয়েকে প্ররোচিত করে বিভিন্ন সময় তার সঙ্গে বিভিন্ন স্থানে দেখা সাক্ষাৎ করতো। এ বিষয়ে আমি আমার মেয়েকে বিভিন্নভাবে সতর্ক করতাম। ঘটনার দিন আমার মেয়ে কোচিং করার জন্য লক্ষীবাজারের উদ্দেশে বের হয়। আসামি সৈকত আমার মেয়েকে প্ররোচিত করে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তার বর্তমান বাসায় নিয়ে শ্বাসরুদ্ধ করে হত্যা করে।