তারা হলেন- আনসার আল ইসলামের ঢাকা অঞ্চলের দাওয়াতি শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী ওরফে আবু মাসরুর, শেখ আশিকুর রহমান ওরফে আবু আফিফা, সাদী মো. জূলকার নাইন, মো. কামরুল হাসান সাব্বির, মো. মাসুম রানা ওরফে মাসুম বিল্লাহ, ডা. সাঈদ মোহাম্মেদ রিজভী। এদের মধ্যে ইউরোপে উচ্চশিক্ষা নেয়া ২ জনসহ একজন চিকিৎসকও রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার রিমান্ড শেষে তাদের আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজস্ট্রেট আলী হায়দার তাদের কারাগারে নির্দেশ আদেশ দেন।
.png)
এর আগে, ২৬ সেপ্টেম্বর মেজবাহ উদ্দিন চৌধুরী ওরফে আবু মাসরুরসহ পাঁচজনকে আদালতে হাজির করে বনানী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ নুরুল হুদা চৌধুরী তাদের দুইদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
বুধবার ডা. সাঈদ মোহাম্মেদকে আদালতে হাজির করে একই মামলায় পাঁচদিনের রিমান্ড আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত দুইদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
গত ২৫ সেপ্টেম্বরআইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ অভিযানে রাজধানীর উত্তরা, বনানী, বনশ্রী ও যাত্রাবাড়ি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ২টি ল্যাপটপ, ৬টি মোবাইল ফোন, উগ্রবাদে সহায়ক পুস্তিকা ও সাংগঠনিক কার্যক্রম সংক্রান্ত ডায়েরি ও নোট বই উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় বনানী থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।