খান ইউনিসে হামাসের দুই সদস্য নিহতের দাবি ইসরায়েলের
গাজা উপত্যকার খান ইউনিসে পৃথক বিমান হামলায় হামাসের এক সামরিক কমান্ডার ও সংগঠনটির পর্যবেক্ষণ ইউনিটের এক সদস্য নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)।
রোববার (৪ অক্টোবর) আইডিএফ জানায়, ভোরে খান ইউনিস এলাকায় চালানো বিমান হামলায় হামাসের সামরিক শাখার কমান্ডার মুয়াদ গামাল আবু নুসেইরা নিহত হয়েছেন। এর আগের দিন শনিবারের পৃথক হামলায় নিহত হন হামাসের পর্যবেক্ষণ ইউনিটের সদস্য মাহমুদ ইব্রাহিম দিব আলিয়ান।
.png)
আইডিএফের দাবি, আলিয়ান সম্প্রতি ‘ইয়েলো লাইন’ এলাকায় ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি হামাসের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠনে কাজ করছিলেন। ইসরায়েলি বাহিনী এসব কর্মকাণ্ডকে যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন হিসেবে উল্লেখ করেছে।
হামলা চালানোর আগে বেসামরিক মানুষের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেছে আইডিএফ। তাদের ভাষ্য, হামলায় নির্ভুল অস্ত্র ও আকাশপথে নজরদারি ব্যবহার করা হয়। দক্ষিণাঞ্চলীয় কমান্ডের সেনারা এলাকায় মোতায়েন রয়েছে এবং তাৎক্ষণিক হুমকি মোকাবিলায় অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
এদিকে পৃথক আরেক হামলায় হামাসের ‘নুখবা’ বাহিনীর সদস্য সাকর নাবিল মুসা কায়সিকে হত্যার দাবিও করেছে আইডিএফ। ইসরায়েলি বাহিনীর দাবি, কায়সি তুরস্কভিত্তিক মানবিক সংস্থা ‘দেনিজ ফেনেরি’র পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
আইডিএফ অভিযোগ করেছে, মানবিক সংস্থায় দায়িত্ব পালনের আড়ালে কায়সি হামাসের জন্য সদস্য নিয়োগ ও অর্থ সহায়তার কাজে যুক্ত ছিলেন। পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে হামলার পরিকল্পনা এবং হামাসের সক্ষমতা পুনর্গঠনের সঙ্গেও তিনি জড়িত ছিলেন বলে দাবি করেছে বাহিনীটি।
তবে এসব অভিযোগের স্বাধীনভাবে নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। কায়সির মৃত্যুর স্থান নিয়েও বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন তথ্য এসেছে।