এক প্রতিবেদন অনুসারে, চীনের সহযোগীতায় তৈরি জাহাজটি দূরপাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র চিহ্নিত করে ফেলার ক্ষমতা রাখে।
মূলত ভারতে আইএনএস ধ্রুব নামক ইনস্ট্রুমেশন জাহাজের ‘জবাবেই’ পাকিস্তান তাদের নৌবাহিনীতে ‘পিএনএস রিজওয়ান’কে অন্তর্ভুক্ত করেছে।
.png)
এই জাহাজের দৈর্ঘ্য ৮৭ মিটার। ভারতের আইএনএস ধ্রুব থেকে অনেকটাই ছোট পাক গুপ্তচর জাহাজ। ভারতের রণতরীটি ১৭৫ মিটার লম্বা। এ জাহাজে গম্বুজ আকারের একটি অ্যান্টেনা আছে। এছাড়াও দূরপাল্লার ব়্যাডার আছে এতে।
এই আইএনএস ধ্রুব তৈরি করা হয়েছিল বিশাখাপত্তনমের হিন্দুস্তান শিপ ইয়ার্ডে। এই রণতরীর ওজন ১০ হাজার টন। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ভারতের নৌবাহিনীতে এই জাহাজ অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। আমেরিকা, রাশিয়া, ফ্রান্স এবং চীনের পরে বিশ্বের পঞ্চম দেশ হিসেবে এই গোত্রের যুদ্ধজাহাজ পেয়েছে ভারত।
ধ্রুবের প্রধান বৈশিষ্ট্য তার অতি সংবেদনশীল ‘অ্যাক্টিড অ্যারে স্ক্যান রেডার’। যা অন্য ভারতের গোয়েন্দা উপগ্রহের ‘গতিবিধি’ এবং পরমাণু অস্ত্রবাহী ক্ষেপণাস্ত্রের হদিস দেয়। শত্রুর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও মজুত রয়েছে আইএনএস ধ্রুবতে। গভীর সমুদ্রে শত্রু ডুবোজাহাজের সন্ধান, সমুদ্রতলের গঠন সংক্রান্ত গবেষণার কাজেও সাহায্য করতে সক্ষম এই জাহাজ।
এবার পাকিস্তানের নৌবাহিনীতেও একই ধরনের যুদ্ধজাহাজ যুক্ত হলো। পাকিস্তানের ভূখণ্ডের মধ্যে অবস্থিত কোনো এলাকাকে লক্ষ্য করে বাইরের দেশ থেকে যদি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়, আগেভাগে তা জানতে পারবে রিজওয়ান। পাকিস্তান নৌবাহিনীকে তা নিয়ে সতর্কও করতে পারবে। ডুবোজাহাজ থেকে যদি কোনো ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়, তা সামলাতেও পারদর্শী পাকিস্তানের রিজওয়ান। কৃত্রিম উপগ্রহকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতাও রয়েছে এই জাহাজের।
সূত্র: মেরিন ইনসাইট, টাইমস অফ ইন্ডিয়া