আবেদনে ওই নারী জানিয়েছেন, তার স্বামী আইটি খাতে কাজ করেন এবং মোটা অংকের বেতন পান। নারী নিজেও কর্মজীবী এবং ভালো আয় করেন। অর্থাৎ, হানিমুনে বিদেশে যাওয়া তাদের জন্য কোনো বড় বিষয় নয়।
কিন্তু আর্থিক সংকট না থাকা সত্ত্বেও ওই নারীর স্বামী তাকে বিদেশে নিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানান এবং পরিবর্তে ভারতের ভেতরেই ঘুরতে যাওয়ার কথা বলেন। যুবকের দাবি, তাকে তার বাবা-মায়ের খেয়াল রাখতে হবে।
.png)
অতঃপর ওই দম্পতি গোয়া অথবা দক্ষিণ ভারতের কোনো রাজ্যে হানিমুনে যেতে সম্মত হন। কিন্তু, এরপর ওই যুবক গোয়ার পরিবর্তে অযোধ্যায় যাওয়ার ফ্লাইট বুক করেন। কারণ, তার মা রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে শহরটিতে যেতে চাচ্ছিলেন।
গন্তব্য পরিবর্তনের বিষয়ে আগে থেকে স্ত্রীকে কিছুই জানাননি যুবক। যাত্রা শুরুর মাত্র একদিন আগে বিষয়টি স্ত্রীকে জানান তিনি।
তখনো অবশ্য কোনো আপত্তি করেননি স্ত্রী। তর্কবিতর্ক ছাড়াই হানিমুনে চলে যান। কিন্তু ভ্রমণ থেকে ফেরার ১০ দিন পরেই পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের আবেদন করেন ওই নারী।
অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছেন, হানিমুনের সময় তার চেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রতিই বেশি খেয়াল ছিল স্বামীর।
তবে স্বামী দাবি করেছেন, ছোট একটি বিষয়কে বড় করে তুলছেন তার স্ত্রী।
বর্তমানে ভোপালের পারিবারিক আদালতে কাউন্সেলিং দেওয়া হচ্ছে এ দম্পতিকে।
সূত্র: এনডিটিভি