ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

হানিমুনে গোয়ায় না নিয়ে অযোধ্যায় নিলেন স্বামী, ডিভোর্সের আবেদন স্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৬:৪৭, ২৫ জানুয়ারি ২০২৪
হানিমুনে গোয়ায় না নিয়ে অযোধ্যায় নিলেন স্বামী, ডিভোর্সের আবেদন স্ত্রীর
গোয়া ও অযোধ্যা - ফাইল ছবি

বিয়ের পর হানিমুনে বিদেশে যেতে চেয়েছিলেন স্ত্রী। কিন্তু বাড়ির লোকজনের খেয়াল রাখতে হবে জানিয়ে দেশের ভেতরেই কোথাও ঘুরতে যাওয়ার কথা বলেন স্বামী। অতঃপর সিদ্ধান্ত হয়, আরব সাগরের তীরে অবস্থিত গোয়া রাজ্যে হানিমুনে যাবেন তারা। কিন্তু যাত্রার মাত্র একদিন আগে স্বামী জানান, তারা গোয়ায় নয় অযোধ্যায় যাচ্ছেন, তাও সপরিবারে। এ নিয়েই মনঃকষ্টের জেরে শেষ পর্যন্ত আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের আবেদন করেছেন স্ত্রী। সম্প্রতি ভারতের মধ্য প্রদেশে ঘটেছে এই ঘটনা।

আবেদনে ওই নারী জানিয়েছেন, তার স্বামী আইটি খাতে কাজ করেন এবং মোটা অংকের বেতন পান। নারী নিজেও কর্মজীবী এবং ভালো আয় করেন। অর্থাৎ, হানিমুনে বিদেশে যাওয়া তাদের জন্য কোনো বড় বিষয় নয়।

কিন্তু আর্থিক সংকট না থাকা সত্ত্বেও ওই নারীর স্বামী তাকে বিদেশে নিয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানান এবং পরিবর্তে ভারতের ভেতরেই ঘুরতে যাওয়ার কথা বলেন। যুবকের দাবি, তাকে তার বাবা-মায়ের খেয়াল রাখতে হবে।

Advertisement

অতঃপর ওই দম্পতি গোয়া অথবা দক্ষিণ ভারতের কোনো রাজ্যে হানিমুনে যেতে সম্মত হন। কিন্তু, এরপর ওই যুবক গোয়ার পরিবর্তে অযোধ্যায় যাওয়ার ফ্লাইট বুক করেন। কারণ, তার মা রাম মন্দির উদ্বোধনের আগে শহরটিতে যেতে চাচ্ছিলেন।

গন্তব্য পরিবর্তনের বিষয়ে আগে থেকে স্ত্রীকে কিছুই জানাননি যুবক। যাত্রা শুরুর মাত্র একদিন আগে বিষয়টি স্ত্রীকে জানান তিনি।

তখনো অবশ্য কোনো আপত্তি করেননি স্ত্রী। তর্কবিতর্ক ছাড়াই হানিমুনে চলে যান। কিন্তু ভ্রমণ থেকে ফেরার ১০ দিন পরেই পারিবারিক আদালতে বিয়ে বিচ্ছেদের আবেদন করেন ওই নারী।

অভিযোগপত্রে তিনি দাবি করেছেন, হানিমুনের সময় তার চেয়ে পরিবারের অন্য সদস্যদের প্রতিই বেশি খেয়াল ছিল স্বামীর।

তবে স্বামী দাবি করেছেন, ছোট একটি বিষয়কে বড় করে তুলছেন তার স্ত্রী।

বর্তমানে ভোপালের পারিবারিক আদালতে কাউন্সেলিং দেওয়া হচ্ছে এ দম্পতিকে।

সূত্র: এনডিটিভি

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!