সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, সোমবার নতুন এই ভিডিও প্রকাশ করেছে হামাস। যেখানে জিম্মি তিন ইরায়েলি নারীকে দেখা গেছে। যাদের একজন নেতানিয়াহুকে তিরস্কার করে জিম্মিদের মুক্তির ব্যবস্থা করার তাগাদা দেন।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের হিসাবমতে, হামাস ইসরায়েল থেকে অন্তত ২৩৯ জনকে জিম্মি করে নিয়ে গেছে। যাদের মধ্যে ইসরায়েলি ছাড়াও অন্যান্য দেশের নাগরিকরা আছে।
.png)
এখন পর্যন্ত দুই আমেরিকান মা ও মেয়ে এবং দুই বয়স্ক ইসরায়েলি নারীকে মুক্তি দিয়েছে হামাস। বলেছে, অসুস্থ হয়ে পড়ায় মানবিক কারণে ওই চার জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
আরো প্রায় ৫০ জিম্মিকে মুক্তির প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে গুঞ্জন শোনা গেলেও গত কয়েক দিনে এ বিষয়ে আর কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
ইসরায়েল থেকে নিয়ে যাওয়া জিম্মিদের মুক্তির বিষয়ে মধ্যস্থতা করছে কাতার ও তুরস্ক। এর আগে হামাস অভিযোগ করেছিল, তারা মুক্তি দিতে চাইলেও ইসরায়েল জিম্মিদের ছাড়িয়ে নিতে তেমন আগ্রহ দেখাচ্ছে না।
হামাসের হামলায় ওইদিন ইসরায়েলে এক হাজার ৪০০’র বেশি মানুষ নিহত হয়। প্রতিশোধ নিতে সেদিন থেকে গাজার উপর তীব্র হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েল। তাদের হামলায় গাজায় সোমবার পর্যন্ত আট হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে বলে জানায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
হামাস বলেছে, গাজা জুড়ে হানাদার ইসরায়েলের বিমান হামলায় বেশ কয়েকজন ইসরায়েলি জিম্মিও প্রাণ হারিয়েছে।
সোমবার হামাসের সশস্ত্র শাখা যে ভিডিওটি প্রকাশ করেছে সেটা দেখে বোঝার উপায় নেই যে সেটি কবে, কোথায় বা কোন পরিস্থিতিতে ধারণ করা হয়েছে।
তবে যে তিন নারীকে ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তাদের শারীরিক অবস্থা বেশ ভাল মনে হচ্ছে। এবং তাদের শরীরে দৃশ্যমান কোনও আঘাতের চিহ্নও নেই বলে জানিয়েছে বিবিসি।
পুরো ভিডিওতে একজন মাত্র নারী কথা বলেছেন। পরে এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, “এটা হামাসের নিষ্ঠুর মনস্তাত্ত্বিক প্রচারণা। আমরা (জিম্মিদের) পরিবারকে জড়িয়ে ধরে সমবেদনা জানাচ্ছি। আমরা অপহৃত এবং নিখোঁজ সব ব্যক্তিকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনতে সব কিছু করব।”
এদিকে হামাস-ইসরায়েলের মধ্যে চলমান সহিংসতা বন্ধে যুদ্ধ বিরতির আহ্বান জানিয়েছিলো জাতিসংঘসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। তবে তা প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।
ভিডিওটি দেখুন...