চীনের আলিবাবা শিল্পগোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণাধীন ‘আলি এক্সপ্রেস’ ওয়েবসাইটটি এক সময় ভারতীয়দের একাংশের মধ্যে জনপ্রিয় ছিল। চীনের জনপ্রিয় জিনিসগুলি সহজে হাতে পাওয়ার জন্য অনেকেই এই ওয়েবসাইটটির উপরে ভরসা করতেন। সেই রকমই দিল্লিবাসী ওই যুবক নিতিন আগরওয়ালও একটি চীনা ইলেকট্রনিক দ্রব্য অর্ডার করেছিলেন ২০১৫ সালে। তারপর দীর্ঘ চার মাস কেটে গেলেও কাঙ্খিত জিনিসটি হাতে পাননি তিনি। ভেবেছিলেন, টাকা জলে গিয়েছে। জিনিসটি আর কোনও দিনই হাতে পাবেন না।
ওই যুবককে অবাক করে দিয়ে ২০১৯ সালে জিনিসটি হাতে পান ওই যুবক। সে কথাই সমাজমাধ্যমে উল্লেখ করেছেন ওই যুবক। তার অভিজ্ঞতার কথা পড়ে কেউ কেউ জানিয়েছেন, তারাও ওই ওয়েবসাইটে জিনিস অর্ডার করেছিলেন। কেউ কেউ আবার মজা করে বলেন, “আমরাও তবে আশা করতে পারি যে, আমাদের জিনিসগুলোও এ বার পৌঁছে দেওয়া হবে।”
.png)
২০২০ সালে অবশ্য নিরাপত্তাজনিত কারণে আলি এক্সপ্রেস-সহ মোট ৫৮টি চীনা অ্যাপকে নিষিদ্ধ করে কেন্দ্রীয় সরকার। তারপর থেকে এই ওয়েবসাইট থেকে আর চীনা দ্রব্য কিনতে পারেন না ভারতীয়রা। তবে তৃতীয় কোনও পক্ষের মাধ্যমে কিংবা ভিপিএন ব্যবহার করে এখনও অনেকে ওই ওয়েবসাইট কিংবা অ্যাপ থেকে জিনিস কেনেন বলে খবর।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে