সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর প্রতিবেদনে জানানো হয়, ওই তরুণীর নাম কুইহুয়া। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কয়েকটি ভিডিওতে ওই তরুণী জানিয়েছিলেন যে, তার ১৫৬ কেজি ওজন এবং ১০০ কেজি ওজন কমাবেন তিনি। সেই লক্ষ্যপূরণে উত্তর-পশ্চিম চীনে একটি ওজন কমানোর শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন ওই তরুণী। সেখানে কঠোর পরিশ্রম শুরু করেন তিনি। শুধু তাই নয়, ওজন কমানোর জন্য খাওয়াও প্রায় ছেড়ে দিয়েছিলেন। অধিকাংশ সময়ই না খেয়ে থাকতেন। এ কথা নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন ওই তরুণী। ওজন কমানোর শিবিরে কী ভাবে শরীরচর্চা করতেন, সেই ভিডিও পোস্ট করেছিলেন তিনি।
গত মাসের শেষে তার মৃত্যু হয়েছে। তারপর থেকেই ওই তরুণীর শরীরচর্চার নানা ভিডিও সে দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে।
.png)
আরো পড়ুন>> মাঝ আকাশে খুলে গেল উড়োজাহাজের দরজা!
‘চীনা ন্যাশনাল রেডিও’ সূত্রে খবর, মৃত্যুর দু’দিন আগে শাংসি প্রদেশে ওজন কমানোর শিবিরে গিয়েছিলেন তরুণী। কীভাবে শরীরচর্চা করতে হবে এবং কী ধরনের খাবার খেতে হবে, তা ওই তরুণীকে জানানো হয়েছিল বলে দাবি করেছে ওই শিবিরটি। তবে ওজন কমাতে শুধু শরীরচর্চাই করেছিলেন তরুণী। সেই মতো খাবার খাননি। আর তার ফলেই এই পরিণতি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
চীনা সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ওজন কমানোর শিবির থেকে ক্ষতিপূরণ পেয়েছে তরুণীর পরিবার। তবে আর্থিক সাহায্যের অঙ্ক জানা যায়নি।
এদিকে এই ঘটনার পর সে দেশে ওজন কমানোর শিবিরগুলির দিকে আঙুল উঠেছে। ইদানীং অনেকেই ওজন কমানোর জন্য অনেকেই জিমে যান। আবার অনেকেই কম খাবার খান। তবে ওজন কমানোর জন্য ঠিক কী করণীয়, তা বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ মেনেই করা উচিত। এর অন্যথা হলে ফল যে কতটা মারাত্মক হতে পারে, চীনের এই ঘটনাই তার প্রমাণ।