সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া ডটকমের প্রতিবেদনে জানানো হয়, শনিবার (৩ জুন) ওড়িশার পুরি সমুদ্র সৈকতে বালুর ভাস্কর্য তৈরি করেন সুদর্শন পাটনায়েক। নিপুন হাতে তুলে ধরেন দুর্ঘটনার সেই চিত্র।
ভারতের ইতিহাসে অন্যতম ভয়াবহ এ ট্রেন দুর্ঘটনার পর বিভিন্ন জায়গায় করা হয় বিশেষ প্রার্থনা। নিহতদের স্মরণে ফুল ও মোমবাতি প্রজ্জ্বলনের পাশাপাশি নিজেদের মতো করে প্রার্থনা করেন বিভিন্ন ধর্মের মানুষ। উপাসনালয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে করা হয় বিশেষ প্রার্থনা।
.png)
গত শুক্রবার (২ জুন) সন্ধ্যা ৭টার দিকে বালেশ্বরের বাহাঙ্গাবাজার স্টেশনের কাছে তিনটি ট্রেনের মধ্যে সংঘটিত দুর্ঘটনায় ২৮৮ জন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন এক হাজার মানুষ।
আরো পড়ুন>> সৌদি-আমিরাতকে নিয়ে নৌ জোটের ঘোষণা ইরানের
সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যায় ওড়িশার বালেশ্বরের বাহাঙ্গাবাজার স্টেশনের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে করমণ্ডল এক্সপ্রেস। পশ্চিমবঙ্গের শালিমার থেকে চেন্নাই যাচ্ছিল ট্রেনটি।
পথে ওড়িশার বাহাঙ্গাবাজার স্টেশন এলাকা অতিক্রম করার সময় একটি মালবাহী ট্রেনকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয় যাত্রীবাহী ট্রেনটি। এর মাঝেই তৎসংলগ্ন লাইনে চলে আসে হাওড়া সুপারফাস্ট এক্সপ্রেস ট্রেনটি। এতে ৩টি বগি বাদে করমণ্ডল এক্সপ্রেসের সব বগি লাইনচ্যুত হয়।
ভারতে যোগাযোগ ব্যবস্থার অন্যতম মাধ্যম ট্রেন। দেশটির রেল মন্ত্রণালয়ের হিসেব অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে ১৩ লাখ মানুষ ট্রেনে নিজ গন্তব্যে যাতায়াত করে থাকেন। যার অধিকাংশই নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষ।
এর আগে, ১৯৮১ সালে বিহারে সেতু পার হওয়ার সময় যাত্রীবাহী ট্রেন নদীতে পড়ে গেলে প্রাণ হারান প্রায় আটশো মানুষ। যা এ যাবৎকালে ভারতের সবচেয়ে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনা।