সম্প্রতি ভারতের ঝাড়খণ্ডের রামগড়ে ওই কর্মসূচির আয়োজন করেছিল একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
বাবার নাম টিঙ্কু বর্মা। ২০১৩ সালে তার স্ত্রীর রহস্যমৃত্যু হয়। স্ত্রীর মৃত্যুতে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হন টিঙ্কু। তখন তার ছেলে শিবমের বয়স ছিল তিন বছর। গত শুক্রবার দুপুরে রামগড় একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের আয়োজন করা কর্মসূচিতে খেতে বসেছিলেন টিঙ্কু। খাবার দিচ্ছিল শিবম। বাবার মুখে দাড়ি থাকলেও চিনতে পারে সে। বাবাও ছেলেকে দেখে চিনতে পেরে জড়িয়ে ধরেন। দেখে এগিয়ে আসেন ওই সংগঠনের ম্যানেজার রাজেশ নেগি। বিষয়টি জানতে পেরে তিনিও আপ্লুত।
.png)
আরো পড়ুন>> ফিলিস্তিনিদের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা সংগ্রহে ব্যর্থ জাতিসংঘ
নেগি জানিয়েছেন, ২০১৩ সালে মায়ের মৃত্যু এবং বাবা জেলে যাওয়ার পর শিবমকে ওই সংগঠনের হাতে তুলে দেয় জেলা প্রশাসন। শিবমের তখন বয়স তিন বছর। তাকে দেখার কেউ ছিল না। সেই থেকে ওই সংগঠনের আশ্রমেই থাকে শিবম। এখন ওই সংগঠনের একটি স্কুলে অষ্টম শ্রেণিতে পড়ে সে। নেগি জানিয়েছেন, সংগঠন মাঝেমধ্যেই গরিবদের খাওয়ানোর কর্মসূচি গ্রহণ করে। সেখানে শিবম গরিবদের খাবার পরিবেশনে অংশ নেয়। সে ভাবে সে ফিরে পেল বাবাকে।
শিবমের বাবা টিঙ্কু এখন রামগড়ের বিকাশনগরে থাকেন। রিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। ছেলেকে এত বছর রাখার জন্য ওই সংগঠনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন টিঙ্কু। শিবম জানিয়েছে, বাবাকে যে আবার ফিরে পাবে সে, ভাবতেই পারেনি।
সূত্র: এনডিটিভি, আনন্দবাজার