এ বয়সে এসে তিনি দারুণ এক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। কানাডীয় বংশদ্ভূত এ নারী বিজ্ঞানীর নাম কেলি হাসটন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাস করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসের হিউস্টনে মঙ্গল গ্রহের আদলে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। এটি ‘মার্স ডুনে আলফা’ নামে পরিচিত। এটি থ্রিডি প্রিন্টেড, এর আয়তন ১ হাজার ৭০০ বর্গফুট। যেখানে রয়েছে শয়নকক্ষ, ব্যায়ামাগার, খাবার উৎপাদনের জন্য ছোট একটি খামার। এছাড়াও রয়েছে আরো বিভিন্ন সুবিধা।
.png)
এই আবাসে আগামী মাসে প্রবেশ করবেন চারজন স্বেচ্ছাসেবী। তাদেরই একজন হলেন কেলি হাসটন। পরবর্তী এক বছর তারা সেখানে বসবাস করবেন। সেখানে বসবাসের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখবেন।
আরো পড়ুন>> পাকিস্তানে আঘাত হানল শক্তিশালী ভূমিকম্প, সঙ্গে কাঁপল ভারত
কেলি ছাড়া বাকি তিনজন হলেন, একজন প্রকৌশলী, একজন জরুরী ডাক্তার এবং একজন নার্স। নির্বাচন প্রক্রিয়ার আগে তারা একে অপরকে চিনতেন না, কিন্তু তারপর থেকে দেখা করেছেন।
কেলি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, মঙ্গলে বসবাস করা আমার শৈশবের স্বপ্ন ছিল না। এরপরও আমি মঙ্গলের আদলে নির্মিত একটি জায়গায় বসবাস করতে যাচ্ছি। এক বছর সেখানে কাটাব। এই কথা চিন্তা করেই আমার অনেক ভালো লাগছে।
মূলত মঙ্গল গ্রহে মানুষের আবাস গড়ার অভিজ্ঞতা কেমন হবে, তার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এটা করা হচ্ছে। কেলি বলেন, এটা আমার কাছে এখনো অবিশ্বাস্য মনে হচ্ছে। আমার অনেক ইচ্ছে ছিল মঙ্গল গ্রহে বসবাসের।
কেলিসহ এই চারজনকে সতর্কতার সঙ্গে নির্বাচন করেছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। ভবিষ্যতে মঙ্গলে অভিযানের সময় বিচ্ছিন্ন ও সীমাবদ্ধ পরিবেশে একজন ক্রুর আচরণ মূল্যায়নে এই প্রকল্পের অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে নাসা।
সূত্র: এএফপি