সোমবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আরটিআর হাবেরকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এরদোগান পশ্চিমাদের বিরুদ্ধে এ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন। পশ্চিমারা যতই ষড়যন্ত্র করুক তুরস্কের মানুষ ঠিকই তাদের নির্বাচনের মাধ্যমে এর জবাব দিবে।
এরদোগান বলেন, নির্বাচনে আমাকে পরাজিত করতে আদাজল খেয়ে নেমেছে পশ্চিমা মিডিয়া। তারা নির্লজ্জভাবে আমাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেছে। আমার বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যাচার করেছে।
.png)
আরো পড়ুন>> ২৮ বার মাউন্ট এভারেস্ট জয়ের রেকর্ড গড়ল নেপালের পর্বতারোহী
কিন্তু তুরস্কের মানুষ গত ১৪ মে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে আমাকেই জয়ী করেছে। আশাকরি ২৮ মে অনুষ্ঠিতব্য দ্বিতীয় দফা অর্থাৎ রানঅফ ভোটেও পশ্চিমাদের গালে চপেটাঘাত করে আমাকেই জয়ী করবে।
এরদোগান বলেন, আমরা আমাদের গণতান্ত্রীক মূল্যবোধ অর্জন করেছি। তুরস্কের অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র ও সামরিক শক্তির উত্থানে ভীত হয়ে পশ্চিমারা আমাদের পিছনে লেগেছে।
তাছাড়া, তুরস্কের কারণেই কাতার, আজাবাইজান ও লিবিয়ায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারেনি। আমরা এখন শত্রু আর মিত্র খুব পরিষ্কারভাবে চিনতে পারছি।
প্রথম দফার নির্বাচনে এরদোগান পান ৪৯.৫২ শতাংশ, কেমাল কিলিচদারুগ্লু ৪৪.৮৮ শতাংশ এবং সিনান ওগান পান ৫.১৭ শতাংশ ভোট।
সূত্র: আনদোলু এজেন্সি