ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

যুক্তরাষ্ট্রে ৫ মাসে গোলাগুলিতে নিহত প্রায় ১৪ হাজার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫:৫৮, ২২ মে ২০২৩
যুক্তরাষ্ট্রে ৫ মাসে গোলাগুলিতে নিহত প্রায় ১৪ হাজার
ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য পশ্চিমা রাষ্ট্রগুলোতে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে বন্দুক হামলার ঘটনা। প্রতিদিনই যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় একটি হামলার ঘটনা ঘটে।  

যুক্তরাষ্ট্রে চলতি বছরের ১ মে পর্যন্ত গোলাগুলিতে ১৩ হাজার ৯৫৯ জন নিহত হয়েছেন। অর্থাৎ ২০২৩ সালে দেশটিতে গোলাগুলিতে দৈনিক গড়ে ১১৫ জন নিহত হয়েছেন।

সর্বশেষ গোলাগুলি ঘটনা ঘটেছে রোববার (২১ মে) রাত ১টায়। দেশটির মিসৌরি রাজ্যের কানসাস শহরের নাইটক্লাব ক্লাইম্যাক্স লাউঞ্জে ওই হত্যাকাণ্ডে তিনজন নিহত হয়েছেন।

Advertisement

স্থানীয় পুলিশ জানায়, রোববার রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে আমরা একটা ফোন কল পাই। এতে ক্লাইম্যাক্স লাউঞ্জে গোলাগুলির কথা আমাদের জানানো হয়। সঙ্গে সঙ্গে আমাদের সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান।

তারা ঘটনাস্থলে পাঁচজনকে গুলিবিদ্ধ দেখতে পান। গুলিবিদ্ধদের দুইজন ঘটনাস্থলেই মারা যায়। বাকি তিনজনকে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে আরেক জনের মৃত্যু হয়। বাকি দুইজনের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। আরেক জনের অবস্থা স্থিতিশীল।

আরো পড়ুন>> সেনাপ্রধানের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কোনো সমস্যা নেই: ইমরান খান

সংবিধান অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে প্রাপ্ত বয়স্করা সবসময় অস্ত্র রাখতে পারেন। তাই দেশটিতে গোলাগুলি একটি সাধারণ ঘটনায় পরিণত হয়েছে। তবে চলতি বছর তা রীতিমতো ‘মহামারী’ আকার ধারণ করেছে।

নিহতদের মধ্যে কিশোর ৪৯১ জন। আর শিশু ৮৫ জন। দেশটির গান ভায়োলেন্স আর্কাইভের বরাতে এবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। দেশটির সিংহভাগ গোলাগুলির খবর আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে আসে না।

এবিসি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, গত কয়েক বছরে আত্মহত্যা যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল। চলতি বছর গোলাগুলি সেটাকে হার মানিয়েছে। চলতি বছর দেশটিতে দৈনিক গড়ে ৬৬ জন আত্মহত্যা করেছে। অন্যদিকে গুলিতে নিহত হয়েছে তার প্রায় দ্বিগুণ, ১১৫ জন

চলতি বছর গোলাগুলির ঘটনা বাড়ায় অস্ত্র আইন কড়াকড়ি করার জন্য সরকারের ওপর যথারীতি নতুন করে চাপ বাড়ে।

কিন্তু তৃতীয় মত হলো, সারা বিশ্বের মতো যুক্তরাষ্ট্রেও অস্ত্র ব্যবসা অত্যন্ত লাভজনক। যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র ব্যবসায়ীদের লবি অত্যন্ত শক্তিশালী। ডেমোক্র্যাটিক ও রিপাবলিকান উভয় পার্টির মধ্যে অস্ত্র ব্যবসায়ীদের বিশাল প্রভাব রয়েছে। তাই কোনো পার্টির শীর্ষ নেতারা চাইলেও সহজে অস্ত্র আইন কড়াকড়ি করা যাচ্ছে না।

সূত্র: এবিসি নিউজ

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরটি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!