
ছবিগুলোতে ছাদের সঙ্গে ঝুলিয়ে বিবস্ত্র করে মারধর, হাত-পা বেঁধে ছোট্ট বাক্সে ঢুকিয়ে রাখা, শ্বাসরোধ করতে নাকে-মুখে পানি ঢালাসহ ভয়ংকর সব নির্যাতনের বর্ণনা উঠে এসেছে।
.png)

যুক্তরাষ্ট্রের সেটন হল ইউনিভার্সিটি ল স্কুলের সেন্টার ফর পলিসি অ্যান্ড রিসার্চে মার্ক ডেনবেউক্স তার ছাত্রদের নিয়ে জুবাইদাহের ছবি ও লেখা নিয়ে একটি নতুন প্রতিবেদন তৈরি করেছেন। গত সপ্তাহে জাতিসংঘের একটি সংস্থাও তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

প্রকাশ্যে আসা নির্যাতনের ছবিগুলোতে মাথার কাছে উচ্চস্বরে গান বাজানো এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ও ফ্যানের মাধ্যমে তার ওপর ঠান্ডা বাতাস দিয়ে হিমায়িত করে ফেলা, বাথটাবে ডুবিয়ে বৈদ্যুতিক শক দেওয়া, পায়ে শিকল বেঁধে চারদিক থেকে তীব্র বেগে পানি দেওয়া, হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর, দেয়ালের সঙ্গে মাথা ঢুকে দেওয়া, কফিনের মতো বক্সে ঢুকিয়ে তালাবদ্ধ করে রাখার মতো ভয়াবহতা উঠে এসেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা চালানো হতো এসব নির্যাতন।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান