শনিবার (২৯ এপ্রিল) তিনি একথা বলেন বলে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা।
ইরাকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকা ইরান দীর্ঘদিন ধরেই তার সীমান্ত ও উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা উপস্থিতির বিরোধিতা করে আসছে; পশ্চিমা সামরিক হস্তক্ষেপকে অঞ্চলটির নিরাপত্তাহীনতার মূল কারণও বলছে তারা।
.png)
আরো পড়ুন>> সুস্থ হয়ে নির্বাচনী প্রচারে ফিরলেন এরদোগান
আয়াতুল্লাহ আল খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কখনো কারও বন্ধু হতে পারে না। মার্কিন সেনাদের দ্রুত ইরাক থেকে বের করে দিতে বলেন তিনি।
এ সময় তিনি ইরাকের প্রেসিডেন্টকে বলেন, আমরা 'ভয়ঙ্কর শত্রু' থেকে এখন পরস্পরের অন্তরঙ্গ বন্ধু হতে চাই। ইরাক-ইরানের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরো জোরদার করতে চাই।
এর আগে শনিবার সকালে ইরাকের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি।
আরো পড়ুন>> কারখানায় ভয়াবহ গ্যাস লিক, ৯ জনের মৃত্যু
পরে এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ইরান এ অঞ্চলে বিদেশি সেনাদের আনাগোনা পছন্দ করে না। আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করতে ইরাকের সঙ্গে সহযোগিতা বৃদ্ধি করার চুক্তি করেছে ইরান।
রাইসি বলেন, আমরা আমাদের নিজেদের স্বার্থে আমাদের মধ্যে সহযোগিতার হাত আরো সম্প্রসারিত করছি। মার্কিনিরা তাদের নিজেদের স্বার্থ ছাড়া অন্য কিছুই বোঝে না। তাই তাদের আর এ অঞ্চলে দেখতে চাই না।
ইরাকে বর্তমানে প্রায় আড়াই হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করছে, যারা জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে লড়াইয়ে স্থানীয় বাহিনীগুলোকে পরামর্শ ও সহায়তা দিচ্ছে। আইএস ২০১৪ সালে ইরাকের বিশাল অংশের দখল নিয়ে নিলেও এখন তাদের উপস্থিতি নগণ্য।