হিমাংশু জানান, মালতি প্রথমে তার সন্তানদের ফাঁসিতে ঝোলান এবং এরপর তিনিও আত্মহত্যা করেন।
হিমাংশু আরো বলেন, পুলিশ ঘটনা রেকর্ড করেছে এবং লাশগুলো ময়না তদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পাওয়া তথ্যানুযায়ী, ঐ নারীর স্বামী তাদের অত্যাচার করতো বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
.png)
তদন্তের জন্য পুলিশ মালতি দেবীর স্বামীকে গ্রেফতার করেছে বলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে।
এর আগে দেশটির মধ্য প্রদেশে রাজ্যে আরেক নারী আত্মহত্যা করেছেন। অভিযোগ, ঐ নারীর স্বামী তাকে পার্লারে যেতে না দেওয়ায় তিনি আত্মহত্যা করেন।