শুক্রবার দুপুরে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ সদর দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নগরীর বাড়েরা মসজিদ মার্কেট থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার রুমান মধ্য বাড়েরা এলাকার সাইফুল ইসলামের ছেলে। নিহত আরমান বাড়েরা ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।
.png)
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ সদর দফতরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ২০১২ সালের দিকে আরমান আলী ও রুমানের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রুমানের বড় ভাই আলমগীর হোসেন খুন হয়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এছাড়াও তাদের মধ্যে টাকা-পয়সার লেনদেনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় মরাকুড়ি বাজারে দরবার বসে ও একপর্যায়ে তর্ক-বিতর্ক হয়। এতে আরমানের প্রতি ক্ষিপ্ত ছিলেন রুমান। ২০১৪ সালের ১০ জুন দুপুর ২টার দিকে বাড়েরা মসজিদ মার্কেটের সামনে একা পেয়ে আরমানকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর আহত করেন রুমান ও তার লোকজন। পরে আশেপাশের লোকজন তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১০টার দিকে মারা যান আরমান।
সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী পপি আক্তার বাদী হয়ে রুমানসহ আরো ১১ জনের বিরুদ্ধে কোতোয়ালী মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। কিন্তু মামলা হওয়ার পর থেকেই পলাতক ছিলেন রুমান। গ্রেফতার এড়াতে দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপনে ছিলেন। বুধবার দিবাগত রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রুমানকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।