ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ আন্তর্জাতিক ]

বৌমাই ‘শিশু চোর!’ কেঁদেই চলেছেন বৃদ্ধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১:১৩, ২৪ এপ্রিল ২০২৩
বৌমাই ‘শিশু চোর!’ কেঁদেই চলেছেন বৃদ্ধা
শিশু চুরি কাণ্ডে অভিযুক্তদের নিয়ে যাচ্ছে পুলিশ - ফাইল ছবি

বিয়ের দশ বছর পরেও সন্তান না হওয়ায় অঞ্জুকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় শ্বশুরবাড়ির লোকজন। ধারদেনা করে অনেক টাকা খরচ করে তাকে ডাক্তারও দেখিয়েছেন মা সীতা দাস। একদিন সীতা দাস অঞ্জুর শ্বশুরবাড়িতে জানান, মেয়ের (অঞ্জু) ঘরে ছেলে হয়েছে।

তবে, সেই সন্তান নিয়ে বাঁধে বিপত্তি। হাসপাতাল থেকে শিশু চুরির অভিযোগে শনিবার (২২ এপ্রিল) রাতে সীতা ও অঞ্জুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এমন ঘটনা ঘটেছে ভারতের উত্তরবঙ্গের চোপড়ার বলরামপুরে। গ্রেফতার সীতা ও অঞ্জু বলরামপুরের বাসিন্দা। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে গত বৃহস্পতিবার (২০ এপ্রিল) চুরি হয় শিশুটি।

পুলিশ জানিয়েছে, শিশু চুরির ঘটনার মূল অভিযুক্ত সীতার স্বামী চা কারখানার শ্রমিক। তিনি বাড়িতে থাকেনই না বললেই চলে। তার দুই ছেলের মধ্যে এক ছেলে ছোট্ট একটি দোকান করেন। আরেকজন টোটো চালান। সমস্যা ছিল কেবল মেয়েকে নিয়েই। প্রতিবেশীরা জানান, নিঃসন্তান হওয়ায় অঞ্জুর শ্বশুরবাড়িতে অশান্তি লেগেই থাকত।

Advertisement

আরো পড়ুন>> গণবিয়েতে প্রেগনেন্সি টেস্ট, রিপোর্ট পজিটিভ আসায় বিয়ে ভাঙল ৫ তরুণীর

সন্তান যে চুরি করে আনা, তা জানতেন না সীতার শ্বাশুড়ি অমলা দাস। শিশুটিকে যে কেমন করে মা-মেয়ে নিয়ে এসেছে পুলিশ আসার পরেই তা টের পান তিনি। অমলা বলেন, ‘নাতনির (অঞ্জু) গর্ভে সন্তান এসেছিল বলেও শুনেছিলাম। ডাক্তার দেখানোর নাম করেই ওকে নিয়ে গিয়েছিল ওর মা। দুদিন পর ছেলে কোলে বাড়ি ফেরে। ওদের দেখতে শ্বশুরবাড়ির লোকও আসে। ভেবেছিলাম, এ বার হয়তো সংসারটা বাঁচবে। পরে শুনেছি, ওর সন্তান গর্ভেই মারা যায়।’

বৌমা আর নাতনিকে গ্রেফতারের পর থেকে বাড়ির বাইরে রাস্তায় একা কেঁদেই চলেছেন অমলা। কেউ এলেই জানতে চাইছেন, ‘আমার বৌমা, নাতনিটা ছাড়া পাবে তো?’

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গ্রামের এই দিকটায় তেমন কেউ আসে না। পুলিশ আসার পরেই ঘটনা জানাজানি হয়েছে।

সূত্র: আনন্দবাজার

ডেইলি-বাংলাদেশ/মাহাদী
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!