ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, দৈনিক আক্রান্তের হার দুই দশমিক ৭ শতাংশ এবং সাপ্তাহিক আক্রান্তের হার এক দশমিক ৭১ শতাংশ রেকর্ড করা হয়েছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সংক্রমণের হার সর্বোচ্চ রেকর্ড হয়েছে। এর আগে, গত বছরের ২ অক্টোবর সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড হয়। সে সময় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৩৭৫।
আরো পড়ুন>> মার্কিন সেনাবাহিনীর দুই হেলিকপ্টারের মধ্যে সংঘর্ষ, নিহত ৯
.png)
এই পর্যন্ত দেশটিতে নতুন করে ১৪ জনের মৃত্যু হওয়ায় এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৮৬২ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণে মহারাষ্ট্রে তিনজন, দিল্লিতে দুজন, হিমাচল প্রদেশে একজন এবং কেরালায় আটজনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যানুযায়ী, মোট সংক্রমণের মধ্যে বর্তমানে অ্যাক্টিভ কেস শূন্য দশমিক শূন্য তিন শতাংশ। এছাড়া সুস্থতার হার প্রায় ৯৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ।
চলতি সপ্তাহে হঠাৎ করেই সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন রাজ্য জরুরি বৈঠকে বসতে যাচ্ছে। গত ১৬ জানুয়ারি রাজধানী দিল্লিতে নতুন করে কোনো সংক্রমণ ঘটেনি। কিন্তু সেখানেই গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৩০০ জন। এ বিষয়ে আজ বৈঠক ডেকেছে দিল্লি সরকার।
সূত্র: এনডিটিভি